SC,ST, OBC দের সাথে এবার জেনারেল বর্গকে সংরক্ষণ দিতে বড় পদক্ষেপ নিতে পারে মোদী সরকার।

দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একজন শক্তিশালী নেতা এনিয়ে কোনো ব্যক্তির সন্দেহ থাকতে পারে না। উনি ভোটবাঙ্কের কথা না ভেবেই কঠোর সিধান্ত নিতে পারেন এবং আগেও নিয়েছেন। সম্প্রতি পাওয়া খবর অনুযায়ী এবার মোদী সরকার সংবিধানকে সংশোধিত করার চিন্তাভাবনা করছে।প্রথমত আপনাদের জানিয়ে রাখি, আমাদের দেশে ৫০% সংরক্ষণের নিয়ম রয়েছে। অর্থাৎ ৫০% এর বেশি সংরক্ষণ হওয়া সম্ভব নয়। এমন পস্থিতিতে sc, st, obc বর্গের ব্যাক্তিরা প্রথম থেকেই এই সংরক্ষণের অন্তর্ভুক্ত। দেশে প্রায় সময় সংরক্ষণ নিয়ে মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ হয়ে থাকে। এমনকি দেশের হিন্দুদের মধ্যে একতা না থাকার একটা মূল কারণ এই সংরক্ষণ প্রথা। এমনকি এই সংরক্ষণ নিয়ে অনেক সময় দেশে আন্দোলন এবং হিংসার ঘটনাও চোখে পড়ে।

মোদী সরকার এবার সংবিধানকে সংশোধন করার উপর বিচার করছে। যে সকল ব্যাক্তিরা বা বর্গের মানুষেরা সংরক্ষণ পেতেন তাদের সংরক্ষণ বজায় রেখেই সরকার ৫০% এর বেশি সংরক্ষণের নিয়ম আনার জন্য চিন্তাভাবনা চলছে। অর্থাৎ sc,st, obc দের জন্য যে সংরক্ষণ রয়েছে তা যেমন আছে তেমনি থাকবে কিন্তু সেই সঙ্গে সাধারন বর্গের মানুষজন ১৫% থেকে ১৮% সংরক্ষণ পাবেন। ১৫% থেকে ১৮% এই সংরক্ষণ আর্থিক দিকের বিচার করে দেওয়া হবে। মনে করা হচ্ছে ৫০% এর যে সংরক্ষণের সীমা রয়েছে তা সংবিধান সংশোধন করে বাড়িয়ে ৬৫% থেকে ৬৮% করবে মোদী সরকার।

যার পর সাধারণ বর্গের জনগণ ১৫% থেকে ১৮% সংরক্ষণ পেতে পারেন। যার ফলে sc,st,obc এর সাথে ব্রাহ্মণ,রাজপুত, মারাঠা, প্যাটেল এবং অন্যান্য যে সব বর্গের মানুষজন রয়েছেন তারাও আর্থিক আধারের ভিত্তিতে সংরক্ষণ পাবেন। এর থেকে একটা বড় লাভ এই হবে যে সংরক্ষণের নামে দেশে যে ভেদাভেদ বা হিংসা ছড়িয়ে পড়ে তা অনেকটা কমে যাবে। যার ফলে সমাজ একজোট হবে, সমাজ একজোট হলে দেশের একতা বাড়বে এবং দেশ শক্তিশালী হবে। শেষ সিধান্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে থাকবে।

আর নরেন্দ্র মোদী যে ধরনের ব্যাক্তি তাতে তিনি কংগ্রেসের জাতি ভিত্তিক সৃষ্টি এই সংরক্ষণ প্রথাকে গোড়া থেকে উপরে ফেলত প্রথম পদক্ষেপ নিতে পারবেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গতকারী মন্তব্য করেছেন, “জাতির ভিত্তিতে নয় বরং গরিবীর ভিত্তিতে সংরক্ষণ দেওয়া উচিত।কারণ গরিবের ভাষা,জাতি বা ক্ষেত্র হয় না।” অনেকের দাবি, কংগ্রেস ভোটের লোভে যে জাতি ভিত্তিক সংরক্ষণ প্রথা করে গিয়েছে সেটাকে আর্থিক ভিত্তিতে করার জন্য প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছেন। বহুজনের দাবি, এক ধাপেই যদি সংরক্ষণ প্রথা মুছে ফেলা হয় তাহলে দেশে বৃহত্তর আন্দোলন এবং হিংসা ছড়িয়ে পারে। তাই কারোর মনে অসন্তুষ্টতা না জাগিয়ে অন্যরকমভাবে পদক্ষেপ এমন পদক্ষেপ নিতে পারে মোদী সরকার।

Related Post

Open

Close