নিজের ৯ বছর বেতনের অর্থ নিয়ে এই বিজেপি সাংসদ যা করলেন তাতে গর্বিত হবে বিজেপি সমর্থকেরা।

আমাদের ভারতবর্ষের রাজনীতিতে কোনো নেতা জনগনকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেই কাজ সঠিক ভাবে পালন করেছেন এই রকম ঘটনা খুব কমই ঘটেছে। কিন্তু এখনকার দিনেও ভারতের রাজনীতিতে এমন একজন নেতাকে খুঁজে পাওয়া গেছে যিনি এই কাজটি করে দেখিয়েছেন। তাই এখন তিনি ভারতের রাজনীতিতে নুতন প্রেরণা হয়ে উঠেছেন। দেশের বড় বড় সাংসদদের নিজেদের বেতন ছেড়ে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছে বিজেপি সাংসদ বরুন গান্ধী। উনি যে শুধু অন্যদের বলেছেন এটা নয়, নিজে সেই কাজ করে প্রেরণা দিয়েছেন। বিগত ৯ বছরে তিনি একটা পয়সা নেন নি তার বেতনের। তিনি যখন সাংসদ ছিলেন তখন গরিবদের মধ্যে দান করে দিতেন ওনার সম্পুর্ন বেতনের টাকা।

এই ব্যাপারটিকে কেন্দ্র করে উনি একটি চিঠি লিখেন লোকসভার অধ্যক্ষ সুমিত্রা মহাজনকে। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন যে, দেশের যে সকল সাংসদরা আর্থিক দিক দিয়ে স্বাবলম্বী তারা গরিব মানুষদের কথা ভেবে নিজেদের বেতন ছেড়ে দিক। উনি আরও বলেন যে ভারতের মাত্র এক শতাংশ ধনী লোক দেশের ৬০ শতাংশ সম্পদের অধিকারী। এটা বিপদজনক হয়ে দাড়িয়েছে গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে।কিছু দিন আগে রামজি গুপ্তা নামে একজন ব্যাক্তি তার বাবার চিকিৎসা করাবার জন্য বরুন গান্ধীর কাছে আর্থিক সাহায্য চান। কারন তার বাবার ক্যান্সার হয়েছে। সব কিছু শুনে বরুন গান্ধী বিন্দু মাত্র দেরি করেননি তাকে সাহায্যদান করবার জন্য।

তিনি সাথে সাথে সেই ব্যাক্তিকে আড়াই লক্ষ টাকা দিয়ে সাহায্য করেন, তার বাবার চিকিৎসা করাবার জন্য। এছাড়াও পাওয়া তথ্য অনুযায়ী তিনি কিছু দিন আগে একজন কৃষকে ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে সাহায্য করেন। এছাড়াও তিনি নানা জেলা ঘুরে ঘুরে গরিব, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া অনেক কৃষক কে সাহায্য করেছেন। তিনি নিজের পয়সায় বাড়ি করে দিয়েছেন সুলতানপুরে দু ডজন গরীব মানুষকে।

এছাড়াও উনি বলেন যে আমি রাজনীতিতে এসেছি শুধু মাত্র সাধারণ মানুষ দের সাহায্য করবার জন্য। দেশের গরিব মানুষজনের অসুবিধার কথা জেনে তাদের পাশে দাঁড়ানো হল আমার মূল লক্ষ্য। দেশের কোনো গরিব কৃষক যাতে কষ্টের মধ্যে দিয়ে দিন না কাটায় সেই দিকেই আমি লক্ষ্য রাখি। টাকা পয়সা কামানো জন্য আমি রাজনীতিতে আসি নি।
#অগ্নিপুত্র

Related Post

Open

Close