রাজ্যে বিজেপির উত্থানে ভয় পেয়ে একইদিনে তিন বিজেপি নেতার উপর হামলা করানোর অভিযোগ তৃণমূলের উপর।

সারা ভারতবর্ষ জুড়ে যে ভাবে মানুষ বিজেপিতে যোগদান করছেন, তাতে দিনের পর দিন বিজেপির ঘাটি শক্ত হচ্ছে। মানুষ এখন বিজেপিকে ভরসা করে বিজেপির পাশে এসে দাড়িয়েছেন। আর এই সব কারনেই বিজেপি বর্তমানে বিশ্বের সবথেকে বড় রাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে। সারা দেশের সাথে পাল্লা দিয়ে আমাদের রাজ্যেও। মানুষের মধ্যে বিজেপি করার একটা প্রবনতা চোখে পড়ছে। ধীরে ধীরে মানুষ বিজেপির দিকে ঢলে পরছেন।
আর এই সব নানান কারনে রাজ্যের বর্তমান শাসক দল তৃনমূল কংগ্রেস এখন বিজেপির এই উত্থান কে ভয় পেয়েছে। তাই তারা নানারকম ভাবে ভয় দেখিয়ে, গুণ্ডামি করে বিজেপিকে থামানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রাজ্য বিজেপির। তারা উন্নয়নশীল কাজে বিজেপিকে হারাতে না পেরে গায়ের জোর খাটিয়ে পুলিশ প্রশাসনের অপব্যবহার করে বিজেপিকে রুখে দেবার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ বিজেপি সমর্থকদের। তাই একই দিনে তিন বিজেপি নেতাদের উপর পর পর হামলার ঘটনা ঘটলো পশ্চিমবঙ্গ।

আর সেই হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে রাজ্য তৃনমূল। বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক শমিক ভট্টাচার্য কে তৃনমূলের গুন্ডাবাহিনীর দারা আক্রান্ত হতে হল। যখন তিনি চাকদায় জনসভা করতে গিয়েছিলেন সেই সময় তার উপর হামলা করা হয়। তার গাড়ীটি প্রচুর পরিমানে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এই হামলার ফলে। টিংকু রায় যিনি ত্রিপুরার রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি তিনি এই দিন ব্যারাকপুরে একটি সভা করতে এসেছিলেন, এখানে এসেই তিনি আক্রান্ত হলেন তৃনমূলের গুণ্ডাবাহিনীর দারা।

তারপরই যখন রাত ১০:৩০ টা বাজে ঠিক সেই সময় তৃণমূল দুষ্কৃতীদের হাতে বাঁকুড়াতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ হামলার শিকার হলেন। বিবেকানন্দ পাত্র যিনি বিজেপির বাঁকুড়া জেলা সভাপতি তিনি অভিযোগ করেন যে সভা শেষ করে দিলীপ বাবু দলীয় নেতা বাড়ি থেকে ১০:৩০ টা নাগাদ নৈশ ভোজ শেষ করে বেড়োন তারপরই দীলিপ বাবুর উপর কয়েকজন দুষ্কৃতী হামলা করে। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে, মানুষের মধ্যে ভয়ের প্রভাব দেখা দিয়েছে। জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্র এই ব্যাপারটি নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন।

আগামী ১১ ই আগস্ট কলকাতাতে যুব মোর্চার তরফে একটি সভা করার কথা আছে। সেই সভাকে সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য সেখানে উপস্থিত থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ মহাশয়। তাই বিজেপি নেতৃত্ব এর প্রচারে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছেন। কিন্তু চারিদিকে এখন যেটা দেখা যাচ্ছে সেটা হল শাসক দল বিজেপির এই উত্থানে ভয় পেয়ে তাদের সভায় বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাই দিকে দিকে এই ভাবে বিজেপি নেতাদের উপর হামলা করা হচ্ছে। কিন্তু এই ভাবে তারা বিজেপিকে দমিয়ে রাখতে পারবে না সেটা পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে।
#অগ্নিপুত্র

Related Post

Open

Close