যা ভয় ছিল তাই হল! জঙ্গিদের সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা।

‘যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যে হয়’- ঠিক এমনটাই হচ্ছে ভারতবর্ষের সুরক্ষা ব্যাবস্থার সাথে। আসলে কংগ্রেস সরকার বহু বছর ধরে রোহিঙ্গাদের শরণার্থী দোহাই দিয়ে ভারতে ঢুকিয়ে দেশের কতবড় সর্বনাশ করেছে তার প্রমান এবার হাতেনাতে মিলছে। জঙ্গি আতঙ্কবাদীদের সাথে যে রোহিঙ্গাদের যোগ আছে তা কেন্দ্র আগেই জানিয়েছিল কিন্তু এবার এটা নিশ্চিত হয়ে গেছে যে রোহিঙ্গা মুসলিমরা জঙ্গি সংগঠনের সাথে যুক্ত। আপনাদের জানিয়ে রাখি, জম্মু পুলিশ সঞ্জুয়া এলাকায় থাকা রোহিঙ্গা বস্তি থেকে ৩০ লক্ষ টাকা নগদ অর্থ বাজেয়াপ্ত করেছে।আপনাদের মনে করিয়ে দি, সেই সঞ্জুয়া এলাকার ঘটনা যেখানে সৈন ছাওনিতে আতঙ্কবাদী হামলা হয়ে গেছে।

পুলিশ ৩০ লক্ষ টাকা ক্যাশের সাথে ৩ রোহিঙ্গা মহিলা ও ৪ জন রোহিঙ্গা পুরুষকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য বন্দি করেছে। জম্মু পুলিশ জানিয়েছে যে জঙ্গি সংগঠন ভিখারির মতো থাকা এই রোহিঙ্গা মুসলিমদের এই টাকা প্রদান করেছে। যাতে এই টাকার মাধ্যমে রোহিঙ্গা মুসলিমরা জঙ্গিদের সাহায্য করতে পারে। ভিখারির মতো থাকা এই রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রতি সহানুভুতি দেখানো যে ভারতীয়দের উপর কতটা ভারী পড়বে তা এখন বোঝা যাচ্ছে। এখন বিষয়টি পরিষ্কার যে সেনার উপর হামলার পেছনে রোহিঙ্গাদের হাত রয়েছে।

কাশ্মীর ঘাঁটিতে সেনাদের উপর পাথরবাজ করা ও বোমা ছড়াতেও এই রোহিঙ্গারা যুক্ত রয়েছে বলে দাবি অনেকের। দেশের সুরক্ষা সংস্থাগুলি আগেই জানিয়েছিল যে সঞ্জুয়ায় যে হামলা হয়েছিল তাতে রোহিঙ্গা মুসলিমদের হাত রয়েছে।এস এস পি জম্মু বিবেক গুপ্তা জানিয়েছে যে এই টাকার ব্যাপারে তদন্ত চলছে কিন্তু কিছু রোহিঙ্গা পলায়ন করেছে। জানা গেছে এই রোহিঙ্গারা মায়নামার থেকে যুবতীদের কাজ দেয়ার নামে জম্মুতে নিয়ে এসে বিক্রি করে দেয়।

সরাষ্টমন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছেন রোহিঙ্গাদের দেশ থেকে বিতরণ করা হবে তার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে রাজ্যগুলিকে রোহিঙ্গাদের সর্বমোট সংখ্যা ও তাদের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে। একদিকে যখন কেন্দ্র রোহিঙ্গাদের বের করার জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে তখন কেজরিওয়ালের মত নেতারা রোহিঙ্গাদের এদেশে নাগরিকত্ব দান করার জন্য আদালতের দারস্ত হচ্ছে। শুধু তাই নয় কিছু রাজ্যে তো রোহিঙ্গাদের ট্রাকে ভর্তি করে নিয়ে এসে নিজের রাজ্যে থাকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে এবং ভোট ব্যাঙ্ক তৈরি করার পরিকল্পনা করছে।

Related Post

Open

Close