Press "Enter" to skip to content

অবশেষে এই দুই ব্রহ্মাঅস্ত্র ব্যবহার করে কর্নাটকে জিততে চলেছে বিজেপি।

কর্ণাটকের ের উপর বেশকয়েকটি এক্সিট পোল এবং বের করেছে কিছু কোম্পানি। যেখানে এখনো কংগ্রেসের পাল্লা একটু হলেও ভারী রয়েছে তবে এখানে ি তেমন কোনো ভয় পাচ্ছে না কারণ কোনো বিজেপি ও কংগ্রেসের পার্থক্যটা তেমন কিছু বড়ো নয়। তবে সংখ্যাটিকে নিজেদের আয়ত্তে আনার জন্য এবার তাদের ব্রহ্মাস্ত ব্যবহার করতে চলেছে বিজেপি।

আসলে বিজেপি এবার কর্নাটক নির্বাচন এর যুদ্ধক্ষেত্রে ২ জন শক্তিশালী জননেতাকে নামাতে চলেছে। বিজেপি এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র এবং উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথকে নির্বাচনের প্রচারের জন্য ব্যবহার করবে বলে জানা গিয়েছে। জানা গেছে প্রধানমন্ত্রী কর্ণাটক সফরে মে মাসের ১২ তারিখের আগে অবধি পর পর ২৫ টি সভাযাত্রা করবেন।
প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের প্রত্যেক কোনায় যাওয়ার চেষ্টা করবেন এবং প্রত্যেকদিন ১ টি করে সভাযাত্রা করবেন। অন্যদিকে ষ্টারপ্রচারক এর প্রচার লিঙ্গায়েত সমাজ এবং নাথ সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আপনারা জানলে অবাক হবেন যোগী আদিত্যনাথ এর প্রচার নিয়ে এখন থেকেই ভয় পেয়ে রয়েছেন কর্ণাটকের কংগ্রেস দল। কংগ্রেস হুমকি দিয়েছে যোগী আদিত্যনাথকে কোনোমতেই কর্নাটকে প্রচার করতে দেওয়া হবে না।

রাহুল গান্ধী, গুজরাট নির্বাচন থেকে শুরু করে এখনো মন্দিরে মন্দিরে ভ্রমণের পক্রিয়া চালু রেখেছেন শুধুমাত্র কর্ণাটকের নির্বাচনকে মাথায় রেখে। নরম হিন্দুত্ব এর সাথে এক সম্প্রদায়ের তোষণকে বজায় রেখে চলা এখন কংগ্রেসের মূলমন্ত্র।কর্ণাটকের কংগ্রেস অবশ্য এই মন্ত্রের সাথে আরেকটা বিষয় যুক্ত করেছে তা হলো হিন্দু সমাজের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা।

তাই কংগ্রেসের এই পরিকল্পনাকে ভেঙে দিতে বিজেপি স্টার প্রচারক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং যোগী আদিত্যনাথকে কর্ণাটকের যুদ্ধে নামাতে চলেছে।অন্তিম মুহূর্তে এই দুই ব্রহ্মঅস্ত্রকে ব্যাবহার করে কর্ণাটককে কংগ্রেসমুক্ত করতে চাইছে বিজেপি।আর একবার কর্নাটকে বিজেপি নিজেদের ঘাঁটি শক্তিশালী করে ফেললে দক্ষিণের সমস্থ রাজ্যগুলিতে তাদের প্রবেশের রাস্তায়ও প্রশস্ত হবে।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.