Press "Enter" to skip to content

অমূল্য রত্নকে হারাল দেশ! আর নাগাস্বামির দেহত্যাগের খবরে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদীর

[ad_1]

ইতিহাসের সাক্ষ্য-প্রমাণ দিতে প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু আজ সে প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের উপর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তামিলনাড়ু সরকারের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের প্রথম পরিচালক পদ্মভূষণ প্রাপক আর নাগাস্বামী (R Nagaswamy) যিনি একাধারে ছিলেন প্রখ্যাত প্রত্নত্ববিদ ও অন্যদিকে শিল্প ঐতিহাসিক 23 শে জানুয়ারি পরলোক গমন করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল 94 বছর। তাঁর জামাতা বাস্কার কৈলাসাম পিটিআই কে জানান যে দুপুর আড়াইটার সময় হঠাৎ তার অসস্তি শুরু হয় এবং তিনি চেন্নাইয়ে নিজ গৃহে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

আর নাগাস্বামি একজন বিশিষ্ট লেখকও ছিলেন। যিনি অনেকগুলো আধ্যাতিক বইয়ের সাথে সাথে সংস্কৃতি আলোকিতকরণের জন্য অনেক বই লিখেছেন। তিনি তামিলনাড়ু প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা এবং এর প্রথম পরিচালক ছিলেন। শুধু তাই নয় অবসর নেওয়ার আগে 22 বছর পর্যন্ত তিনি পরিচালক ছিলেন। প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, লোক সভার স্পিকার ওম বিড়লা সহ অনেেই তাঁর মৃত্যুতে গভীরভাবে শোক প্রকাশ করেছেন।

রবিবার দিন প্রধান মন্ত্রী তার টুইটে বলছেন যে ভবিষ্য প্রজন্ম তামিনাড়ুর এই সংস্কৃতিকে প্রানবন্ত রাখার জন্য নাগাস্বামির এই অবদান অবশ্যই মনে রাখবে। সংস্কৃত ও তামিল ভাষায় পারদর্শী নাগাস্বামী মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস করেন এবং সংস্কৃতে মাস্টার্স পাস করেন। পরবর্তীকালে পুনে ইউনিভার্সিটি তাকে ভারতীয় কলা বিদ্যায় পি এইচ ডি দ্বারা সম্মানিত করেন। 2018 সালে পদ্মভূষণ প্রাপক নাগাস্বামী তামিনাড়ুর প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের ভবিষ্যত প্রজন্মের গুরু হিসেবে খ্যাত ছিলেন। এছাড়াও তামিলনাড়ু সরকার তাকে কালাইমানি সহ আরো অনেক পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করেছিল।

https://platform.twitter.com/widgets.js

 

তিনি তার পড়াশোনা, গবেষণা, শিল্প ঐতিহাসিকটার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি ইংরেজি, তামিল ও সংস্কৃত ভাষায় মোট চল্লিশটি বই লিখেছিলেন, যেগুলোর মধ্যে ‘মাস্টার পিসেস অফ সাউথ ইন্ডিয়ান ব্রোঞ্জেস’ বইটি অন্যতম। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিভাগে তার লেখা 23 টি জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। প্রত্নাত্ত্বিক স্থাপত্য সৃষ্টিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। 1980 সালে লন্ডন হাই কোর্টে তাকে তার বিরল ব্রোঞ্চের মন্দির শহর খুঁজে পাওয়ার অসামান্য জ্ঞানের জন্য একজন বিশিষ্ট পারদর্শী সাক্ষ্য হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

পাথুরের নটরাজের মূর্তি ফিরিয়ে আনা তার জয় জয়কার করেছিল। কোর্ট তাকে চোল ব্রোঞ্জের এক অসমন্তরাল এক্সপার্ট বলেছেন। শুধু তাই নয় এলাহাবাদ কোর্টেও রামের জন্মভূমি মামলায় তেও তার অবদান অনস্বীকার্য। প্রত্নাত্ত্বিক, মুদ্রা বিদ্যা, প্রাচীন শিলা বিদ্যা মন্দিরের দর্শন তত্ব , মন্দিরের আচার ও দর্শন, প্রাচীন সমাজ আইন, সঙ্গীত , শিল্প, নৃত্য ও দক্ষিণ এশিয় শিল্পের মত বিষয়গুলোতে উল্লেখ্যযোগ্য অবদান রয়েছে।

[ad_2]