Press "Enter" to skip to content

অ্যাকশন মুডে ত্রিপুরার সরকার! আই-প্যাক কর্মীদের উপর দায়ের হলো মামলা

ত্রিপুরায় তৃণমূলকে বারবার ইচ্ছাকৃতভাবে রুখে দিচ্ছে, এমনটা অভিযোগ করা হচ্ছে সবুজ িরের তরফে। সর্বপ্রথম বিমানবন্দরেই পা দিতেই আটকে দেওয়া হয় প্রতিনিধি দলকে। প্রশ্নোত্তর পর্বের শেষে উত্তর বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাদের। সমীক্ষার কাজে ভিন রাজ্যে গিয়ে ত্রিপুরাতে আটক হতে হয় প্রশান্ত কিশোরের Ipac সংস্থার কর্মীদের।

সেখানের একটি হোটেলে কোভিড প্রোটোকল না মানায় তাদের গৃহবন্দি করে রাখা হয়।এই অবস্থায় কর্মীদের গৃহবন্দি অবস্থা থেকে বাঁচাতে আজ বুধবার আগরতলাতে তড়িঘড়ি উড়ে গিয়েছেন তিনজনের প্রতিনিধি দল। সেখানেশিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, মন্ত্রী মলয় ঘটক এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আগরতলা পৌঁছাতেই বিমানবন্দরেই তাঁদের‌ও আটকে দেওয়া হয়। কারণ এই মুহূর্তে ত্রিপুরায় করোনার বাড়বাড়ন্ত। এই অবস্থায় বাইরে থেকে কাউকেই হঠাৎ করে রাজ্যে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

আরটিপিসিআর পরীক্ষার রিপোর্ট ছাড়া রাজ্যে প্রবেশ নিষিদ্ধ বলে জানানো হয় ের তরফে। কিন্তু টেস্ট করতে রাজি নন ের প্রতিনিধিরা। এর ফলে বেশ কিছুক্ষণ ধরেই স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে তাদের বচসা চলে।Ipac-র গৃহবন্দি থাকা প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলতে হোটেলে হাজির হয়েছে ওই প্রতিনিধি দল। কিন্তু আটক আইপ্যাকের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে সে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে। সঙ্গে পাঠানো হয়েছে সমনও।

আগামী ১ আগস্ট স্থানীয় থানায় তাদের হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এই অবস্থায় ক্রমশ বেড়ে চলেছে উত্তেজনার পারদ। এছাড়াও ত্রিপুরার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাংঠনিক বৈঠকও সারতে পারেন এই প্রতিনিধি দল। তার ভিত্তিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধায়কে রিপোর্ট জমা দেবেন তারা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাংলার পর ত্রিপুরার দিকে নজর দিয়েছে তৃণমূল। সামনেই রয়েছে ওই রাজ্যের । সেই উদ্দেশ্যে ওই রাজ্যে নিজেদের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে চায় তৃণমূল কংগ্রেস।
ইতিমধ্যে ত্রিপুরাতেও খেলা হবে স্লোগান উঠতে শুরু করেছে। অভিষেকের সফরে‌‌ ওই রাজ্যের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক‌ও হতে পারে বলে সূত্রের খবর এমনকি আঞ্চলিক পার্টিগুলির সঙ্গেও বৈঠকে বসতে পারেন তৃণমূল কংগ্রেস।