Press "Enter" to skip to content

আগে আপোষ করত ভারত, এখন করে না! তাই এত রাগ চিনের

প্রায় মাস খানেক ধরে ে () () আর ের () উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। আর এই উত্তেজনা বাড়ার প্রধান কারণ হল চিন সীমান্তের গা ঘেঁষে ভারতের রাস্তা তৈরি। নতুন ওই রাস্তা তৈরির ফলে সীমান্তের পাশে থাকা মানুষদের যেমন সুবিধা হবে, তেমনই সামরিক দিক থেকে আরও শক্তিশালী হবে ভারত।

কারণ নবনির্মিত ওই রাস্তা দিয়ে সহজেই সেনা ছাউনিতে সেনা, সামরিক অস্ত্র, খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া যাবে। আর এতেই গাল ফুলিয়ে বসে আছে চিন। নরেন্দ্র মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমরা ডোকালাম এর গতিরোধ দেখেছিলাম। আর এবার আমরা দেখছি লাদাখের উত্তেজনা।

কিন্তু মোদী সরকারের আমলেই কেন এমনটা হচ্ছে বারবার? তাহলে কি মোদী সরকার প্রতিবেশী দেশ গুলোর সাথে সু-সম্পর্ক স্থাপন করতে ব্যার্থ? আসলে ঘটনাটি সম্পূর্ণ উল্টো। কারণ এর আগে চিন সীমান্তে ভারতের তরফ থেকে কিছু করা হলে চিন আপত্তি জাহির করত। আর চিনের আপত্তির পর সরকারের নির্দেশে সেই কাজ বন্ধ হয়ে যেত।

তাদের ওই আপত্তি করার স্বভাব আর আপত্তির পর ভারতের কাজ বন্ধ করে দেওয়া চিনের খুব পছন্দ ছিল। যেহেতু ভারত এর আগে মুখ বুজে সব সয়ে নিত, সেহেতু চিনের সাথে ভারতের দ্বন্দ্ব হত না। কিন্তু সরকার পরিবর্তনের পর ভারতের স্বভাব পাল্টে গেছে। এখন ভারত আর চিনের রক্তচক্ষুকে ভয় করে না।

যেহেতু এখন চিনের আপত্তি থাকার পরেও ভারত তাদের নির্মাণকার্য থামাচ্ছে না, সেহেতু চিনের পক্ষ থেকে বারবার রক্তচক্ষু দেখা হচ্ছে। কিন্তু এটা নতুন ভারত না, এই ভারত আর ভয় পায় না, এই ভারত চিনের চোখে চোখ রেখে কথা বলে। আর সেই কারণে লাদাখ সীমান্তে সেনার মোতায়েন বাড়িয়েই চলছে ভারত। কোনমতেই এক ইঞ্চিও জমি ছাড়বে না ভারত, সেটা স্পষ্ট জানিয়েও দিয়েছে।