Press "Enter" to skip to content

আদিবাসী বোনদের ধর্ষণের পর খুন! ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফারুক, নজীবুল সহ সাতজন গ্রেফতার করল অসম পুলিশ

গুয়াহাটিঃ একের পর এক জঘন্য নক্কারজনক ঘটনার পর কেটে যায় বছরের পর বছর। সময়ে শাস্তি পাননা অভিযুক্তরা। বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদতে থাকে নির্ভায়াদের জন্য। কিন্তু এবার তা হলো না, ব্যতিক্রমী নিদর্শন তৈরি করল আসাম। মাত্র তিন দিন আগে আসামের কোকরাঝাড় জেলায় রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়েছিল দুই আদিবাসী নাবালিকার। করার পর খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় মৃতদেহ। ৭২ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ঘটনার নিষ্পত্তি করল । এই রহস্যময় খুন এবং ধর্ষণের পিছনে থাকা অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করল তারা।

ঘটনাটি এমনভাবে ঘটানো হয়েছিল যাতে দেখে মনে হয় আত্মহত্যা করেছে ওই দুই নাবালিকা। কিন্তু আসল রহস্যের কিনারা করতে পুলিশের দেরি হয়নি। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন সাতজন। পুলিশ সূত্রে খবর, পুলিশি জেরায় নিজেদের দোষ করেছে ওই অভিযুক্তরা। এলাকার পুলিশ সুপার প্রতীক বিজয় কুমার থুবে সংবাদমাধ্যমকে জানান, “আমরা মোট সাতজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছি। যার মধ্যে তিনজন ওই ধর্ষণকাণ্ডে যুক্ত। তারপর খুন করে গাছে দেহ ঝুলিয়ে দেয় তারা। অভিযুক্তরা দোষ স্বীকার করেছে। ঘটনার পর রবিবারই আমরা বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছিলাম। তার জেরেই মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্তের নিষ্পত্তি হল।”

আসামের কোকরাঝাড় এলাকার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শনিবার ওই দুটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, একজনের বয়স মাত্র ১৪ এবং অন্যজনের মাত্র ১৬ বছর। আসাম পুলিশের এই দ্রুত পদক্ষেপে খুশি মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাও। ঘটনার কথা টুইট করে জানিয়ে তিনি লেখেন, “কোকরাঝাড় জেলায় দুই নাবালিকা আদিবাসী কিশোরীর খুন এবং ধর্ষণের ঘটনায় মোজাম্মেল শেখ, নাজিবুল সেখ এবং ফারুক রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই দুই কিশোরীকে প্রথম শ্বাসরোধ করে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দিয়েছিল এই জঘন্য অভিযুক্তরা। আসাম পুলিশ সত্যিই প্রশংসনীয় কাজ করেছেন।”

https://platform.twitter.com/widgets.js

আসাম পুলিশের এই তৎপরতার নিদর্শন হয়তো আগামী দিনে আরও অনেক অপরাধীকে দ্রুত সামনে আনতে সাহায্য করবে। অপরাধীরা উচিত শাস্তি পেলে হয়তোবা বন্ধ হবে এ ধরনের নক্কারজনক ঘটনা।