Press "Enter" to skip to content

আদৌ ভোট হবে ভবানীপুরে? মুখ্যমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ নিয়ে হাইকোর্টে শুনানি সোমবার


কদিন আগেই ভবানীপুর কেন্দ্রের উপ নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে । এরপর থেকেই রাজ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর বেড়েছে। দলনেতা সরাসরি প্রশ্ন তুলে বলেছেন গোটা দেশের উপনির্বাচন বাদ রেখে শুধু ভবানীপুরেই কেন উপনির্বাচন করানো হচ্ছে? আর এবার সেই প্রশ্ন তুলেই কলকাতা ে দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। আর সেই মামলা নিয়েই সমস্ত পক্ষকে নোটিশ দিতে বলা হয়েছে আদালতের তরফ থেকে।

আগামী সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টে শুনানি হতে চলেছে। মামলায় ভবানীপুরের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে পক্ষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভবানীপুর কেন্দ্রে উপ নির্বাচনের জন্য তদারকি করেছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। তিনি রাজ্যে সাংবিধানিক সঙ্কটের দোহাই দিয়ে ভবানীপুর কেন্দ্রে উপ নির্বাচন করানোর আবেদন জানিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনের কাছে। তিনি এও জানিয়েছিলেন যে, ওই কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনে দাঁড়াতে পারেন। তিনি জানিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৬ মাসের মধ্যে আইন সভার সদস্য হতে হবে। সেই কারণেই ওই ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনের তদারকি করেছিলেন তিনি।

রাজ্যের মুখ্যসচিব শুধু একটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য কেন তদারকি করেছেন, সেই নিয়েই আদালতে প্রশ্ন উঠেছে।  হাইকোর্টের আইনজীবী সব্যাসাচি চট্টোপাধ্যায় আদালতে বলেছেন, রাজ্যের মুখ্যসচিব তো আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন সেটা ঠিক করতে পারেন না। যেহেতু রাজ্যের ৬টি কেন্দ্রে উপনির্বাচন রয়েছে, সেহেতু এই সিদ্ধান্ত সংবিধান বিরোধী বলে দাবি করেছেন তিনি।