Press "Enter" to skip to content

আফগানিস্তানে তালিবানি শাসন আর বাংলায় তৃণমূল শাসন একই: অগ্নিমিত্রা পাল


পূর্ব মেদিনীপুর: বাংলাজুড়ে ি শাসন চালাচ্ছে তৃণমূল (TMC)। রাজ্যের শাসক দলের ক্ষমতা প্রদর্শনকে আফগানিস্তানের তালিবান শাসনের সঙ্গে তুলনা করে আক্রমণ শানিয়েছেন মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী তথা বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পালের। সোমবার হলদিয়ায় দলীয় কার্যকারিণী সভায় রাজ্যের শাসক দলের উদ্দেশ্যে একাধিক কটাক্ষ করেন তিনি।

অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, বর্তমান সময়ে কোনও মহিলা কিংবা পুরুষ যদি ীয় জনতা পার্টিকে সমর্থন করছেন তবে তিনি সেই দল করার অনুমোদন পাবেন না। কারণ এ রাজ্যে এখন শুধু তৃণমূলই করতে হবে। অন্য কোনও দল করা যাবে না। এটাই অলিখিত নিয়ম।

তিনি একথাও বলেছেন, আফগানিস্তানে যেভাবে তালিবানিরা মহিলা ও শিশুদের উপর পাশবিক অত্যাচার চালাচ্ছে, সেই একই ভাবে ে তৃণমূল শাসন করছে। বিজেপি পার্টি করলে মহিলাদের ধর্ষিতা হতে হবে। বাড়ির স্বামী কিংবা দাদা ভাইকে খুন করে রাতের অন্ধকারে গাছে টাঙিয়ে দেওয়া হবে এবং পরে তাকে আত্মহত্যার তকমা দেওয়া হবে। এই বাংলায় নিজের ইচ্ছেমতো কোনও দল করার স্বাধীনতা নেই কারও।আমাদের সমালোচনা করারও স্বাধীনতাটুকুও নেই। আর এই ের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু বললেই সাইবার ক্রাইমের মামলা দেওয়া হবে। যা আমাকেও দেওয়া হয়েছে। আমি মহিলাদের ধর্ষণের কথা তুলে ধরতেই আমার বিরুদ্ধে কেস দেওয়া হয়েছে। এটা কি তালিবানি শাসন নয়?”

রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীও প্রায় সমগোত্রীয় মন্তব্য করেছেন। বর্তমানে রাজ্যের শাসন ব্যবস্থাকে তিনি ‘তালিবান ২.০’ বলে কটাক্ষ করেছেন । সেই একই পন্থায় আক্রমণ করেছেন অগ্নিমিত্রা।

এর আগে রাজ্যে আইনের শাসন নেই বলে অভিযোগ তুলে সরকারকে তালিবান-রাজের সঙ্গে তুলনায় টেনে তুলোধুনা করেছেন বিজেপির একাধিক নেতানেত্রী। শহিদ সম্মান কর্মসূচি পালনে পুলিশি বাধাপ্রাপ্ত হয়ে রাজ্যে ‘তালিবান শাসন চলছে’, বলে নিন্দা করেছিলেন বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। এমনকি, আফগানিস্তান থেকে ভারতীয়দের ঘরে ফেরা প্রসঙ্গে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ‘দিদির উপর ভরসা করলেই তালিবানের গুলি খেতে হবে।’ এসব শোনার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া কী হয় তা দেখার অপেক্ষায় রাজ্যবাসী।