Press "Enter" to skip to content

আমাদের নিয়মের সম্মান সব দেশকে করতে হবে, কাবুল দখলের পর প্রথম বয়ান তালিবানের


নয়া দিল্লিঃ ে কবজা জমানোর পর তালিবান প্রথমবার আধিকারিক ভাবে নিজেদের উদ্দেশ্য জাহির করেছে। তালিবানের মুখপাত্র জবিবুল্লাহ মুজাহিদ (Zabihullah Mujahid) জানিয়েছে তাঁরা কারও শত্রু নয়, আর নিজদের নেতাদের নির্দেশে সবাইকে ক্ষমাও করে দিয়েছে। মুজাহিদ জানায়, তাঁরা খুব শীঘ্রই এমন একটি চুক্তি করবে, যার মাধ্যমে িক সরকার কায়েম হবে।

এছাড়াও এই সঙ্কটের মধ্যে আফগানিস্তানের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি অমরুল্লাহ সালেহ (Amrullah Saleh) নিজেকে আফগানিস্তানের সংরক্ষক ঘোষণা করেছেন। তিনি একটি টুইট করে জানিয়েছেন যে, তিনি নিজের জন্য সমর্থন জোটানোর চেষ্টা করছেন। সালেহ টুইট করে লেখেন, ‘আফগানিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া, অথবা মৃত্যুর পর উপরাষ্ট্রপতি কার্যবাহ রাষ্ট্রপতি হতে পারেন। আমি বর্তমানে দেশে আছি আর আইনি ভাবে কেয়ার টেকার রাষ্ট্রপতি। আমি সমস্ত নেতাদের থেকে তাঁদের সমর্থন আর সহমতি নেওয়ার জন্য াযোগ করছি।”

অন্যদিকে তালিবানের মুখপাত্র কাবুলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও উন্নত করার দাবি করে বলে, তালিবানের যোদ্ধারা অনেক জায়গায় মোতায়েন রয়েছে। মুজাহিদ জানায়, ি দূতাের সুরক্ষা তাঁদের কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। আর তাঁরা এটা সঙ্কল্প নিয়েছে যে, তাঁরা বিদেশি দূতাবাসের সম্পূর্ণ সুরক্ষা করবে।

মুজাহিদ জানায়, কাবুলের আশেপাশে তালিবানরা পৌঁছনোর আগে তাঁরা নিজের সেনার শহরে প্রবেশ রুখে দেয়। কিন্তু অনেকে পরিস্থিতির দুর্ব্যবহার করে এবং মানুষকে লুঠ করার চেষ্টা করে। কিন্তু এখন সবাই নিজেকে সুরক্ষিত মনে করছে।

মুজাহিদ জানায়, ইসলামিক আমিরাত বিশ্বের সব দেশকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে তাঁদের থেকে কারও কোনও বিপদ নেই। আফগানিস্তানের কাছে নিজেদের নিয়ম লাগু করার অধিকার রয়েছে। এরজন্য অন্য দেশের উচিৎ এই নিয়মের সম্মান করা। মুজাহিদ জানায়, মহিলাদের সঙ্গে কোনও বৈষম্য করা হবে না। শরিয়ত আইন মতে তাঁদের সঙ্গে ব্যবহার করা হবে এবং স্বাস্থ্য আর অন্য ক্ষেত্রে যেখানে মহিলাদের দরকার রয়েছে, সেখানে তাঁদের নিযুক্তি করা হবে।