Press "Enter" to skip to content

আমি সেক‍্যুলার, কোনও ধর্ম নিয়ে মাথাব্যথা নেই: সইফ আলি খান

মহামারীর কারণে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ভাটা পড়লেও এবছর একসঙ্গে বেশ কয়েকটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে বলিউডে। সেই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে সইফ আলি খানের নাম। সম্প্রতি স‌ইফ আলি খান, কাপুর, ইয়ামি গৌতম এবং জ‍্যাকলিন ফার্নান্ডেজ অভিনীত ‘ভূত পুলিস’ মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির পর থেকেই বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া মিলছে এই ছবি থেকে। বলিউডি হরর কমেডি ঘরানায় তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি ‘ভূত পুলিস’।

ছবিতে ভূত খুঁজতে দেখা গিয়েছে সইফ ও অর্জুনকে। তরা তন্ত্রসাধকের চরিত্রে অভিনয় করেছে। কিন্তু ছবি জুড়ে তাদের ধড়িবাজ তন্ত্রসাধক হিসেবেই দেখানো হয়েছে। ছবিতে দেখা গিয়েছে, ঈশ্বর বা ভূতের অস্তিত্ব বিষয়ে যথেষ্ট দোটানায় ভোগে বিভূতি ( সইফের চরিত্রের নাম)। অভিনেতা জানিয়েছেন ছবির চরিত্রের মতো বাস্তব জীবনেও তিনি টালমাটালে ভোগেন।

মাধ‍্যমের সাক্ষাৎকারে সইফ বলেছেন, আমি সেক‍্যুলার। ধর্ম নিয়ে অতিরিক্ত মাতামাতিতে আমি চিন্তিত। কারণ ধর্মভীরুরা ইহজন্মের অপেক্ষা পরজন্ম নিয়ে বেশি ভাবে। তাঁর ধারণা, ধর্মীয় মাতামাতি প্রতিষ্ঠানের মতো। আমার ঈশ্বর না তোমার ঈশ্বর শ্রেষ্ঠ তা নিয়েই যত ঝামেলা।

কিন্তু এর আগে অবশ্য ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন বিষয়ে তাঁকে নানারকম মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। এমনকি তাঁর দুই ের নাম‌ও ইসলামিক মতে রাখা হয়েছে। কিন্তু এই ছবিতে ধর্মকে ছোট করা হয়েছে। ধাপ্পাবাজ তান্ত্রিকের চরিত্রে তাঁকে দেখানো হয়েছে। তাই তাঁর এই মন্তব্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ এবং হিন্দুবিদ্বেষ বলেই অনেকের ধারণা।

তিনি অবশ্য বিশ্বাস করেন শুভ শক্তির অস্তিত্ব রয়েছে। কিন্তু সেই শক্তির উত্থান কী তিনি জানেন না। নিজস্ব শক্তিকেই ব‍্যবহার করার চেষ্টা করে। পরজন্ম নিয়েও মাথাব্যথা নেই সইফের। তিনি একথাও বলেছেন, মৃত‍্যু মানে তাঁর কাছে একরাশ বিষন্নতা, অন্ধকার। ওখানেই শেষ, আর কিছু নেই। তিনি মাঝেমাঝে ভাবেন তারপরেও আরও কিছু আছে। তবে সে বিষয়ে তিনি পুরোপুরি নিশ্চিত নন। তবে সমালোচকদের প্রশংসা কুড়াতে ব‍্যর্থ ভূত পুলিস। অভি উঠছে, বিভিন্ন হলিউড ছবি থেকে টোকা হয়েছে চিত্রনাট‍্য।