Press "Enter" to skip to content

আরেকটি ক্ষেত্রে বিশ্বে ছাপ ছাড়ছে ভারত, হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা আয়

[ad_1]

আপনি কি কখনো PUBG খেলেছেন? PUBG অপছন্দ করেন? আপনার পছন্দ যাই হোক না কেন, আপনি কি জানেন যে, বিশ্বব্যাপী গেমিং শিল্পের মূল্য ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার? একটি নতুন রিপোর্টে, Accenture (NYSE:ACN) অনুমান করেছে যে, গেমিং শিল্পের মূল্য এখন মোট ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। করোনা মহামারী ভারত এবং বিশ্বের আর্থিকভাবে প্রচুর ক্ষতি করলেও তবে গেমিং শিল্পে এর কোনও প্রভাব পড়েনি।

অনলাইন-গেমিং এমন একটি সেক্টর, যা এই যুগে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর কারণ হল বিশ্বব্যাপী লোকেরা লকডাউনের সময় বাড়িতে বসে গেম খেলতে পছন্দ মনে করেছিল। করোনা মহামারীর আগে গেমিং শিল্পের মূল্য ছিল ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা এখন ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। একইসঙ্গে এই দৌড়ে পিছিয়ে নেই ভারতও। ৬২৮ মিলিয়নেরও বেশি গেমার সহ ভারত গেমিং শিল্পের ক্ষেত্রে একটি নতুন শক্তির বিকাশের সুযোগ দিয়েছে, যার ফলে একটি অর্থনৈতিক-স্তরের গেমিং ইকো-সিস্টেম তৈরি হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের গেমিং শিল্প ২০১৯-২০ এর মধ্যে প্রায় ৪০% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা OTT, টেলিভিশন এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের চেয়ে বেশি। BCG-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিনিয়র পার্টনার বিকাশ জৈন বলেছেন, “এই বাজারের ৮৬ শতাংশ মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী রয়েছে। BCG -Sequoia India অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী গেমিং বাজারের মাত্র ১ শতাংশ হওয়ার পরেও ভারতীয় গেমিং শিল্প ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করছে এবং ২০২৫ সালের মধ্যে তা ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।”

বলে দিই যে, ভারতে গেমিং ইন্ডাস্ট্রিকে উন্নত বানানোর জন্য স্মার্টফোন, ইন্টারনেট অ্যাক্সেস বৃদ্ধি, জনপ্রিয় এবং মানুষকে আকর্ষিত করার জন্য শিরোনামের ব্যবহার করা হয়। মোবাইল গেমিং নিয়ে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত দেশে বিদ্যমান মোবাইল গেমিং বাজারকে বিভিন্ন মাত্রায় মূল্যায়ন করে তাঁর সম্প্রসারণের সম্ভাবনার দিকগুলোও খতিয়ে দেখে।

পাশাপাশি প্রতিবেদনটি তুলে ধরেছে যে কীভাবে ভারত বিশ্বের জন্য একটি বিনিয়োগের সুযোগ এবং একটি প্রতিভা কেন্দ্র হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে। তবে শুধু মনোরঞ্জনই না, গেমিং সেক্টর যত উন্নত হচ্ছে, তত কর্মসংস্থানও বাড়ছে। অনেক বেকার যুবক, যুবতীরা এই সেক্টরে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। এতে একদিকে যেমন দেশের উন্নতি হচ্ছে, অন্যদিকে তেমন বেকারত্বের হারও কমছে ধীরে ধীরে।

[ad_2]