Press "Enter" to skip to content

আর রেহাই নেই পাকিস্তানের, ভারতের এই মনোভাব তুমুল সমস্যায় ফেলবে ইমরান খানকে

[ad_1]

নয়া দিল্লিঃ ২০২২ সাল ভারতের জন্য বিশেষ হতে চলেছে। ২০২২-র জানুয়ারিতে ভারত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সন্ত্রাসবিরোধী সমিতির সভাপতিত্ব করবে। ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে যে, তাঁরা নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইকে একটি ইস্যুতে পরিণত করবে। সন্ত্রাসবাদের প্রচারে নিয়োজিত পাকিস্তান সরকারের মুখোশ খোলার বড়সড় সুযোগ পাবে ভারত। ভারত বলেছে যে, তাঁরা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে একসাথে কাজ করবে। এছাড়াও, পাকিস্তানে আশ্রয় নেওয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভারত লাগাতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

অধ্যাপক ড. হর্ষ ভি পন্থ বলেছেন যে, ভারত নতুন বছরে পাকিস্তানকে একটি কড়া বার্তা এটাই বুঝিয়েছে যে, এখন পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি বলেন, জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত টিএস ত্রিমূর্তি স্পষ্ট করেছেন যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থান কঠোর থেকে কঠোরতম হবে। অধ্যাপক পন্থ বলেছেন, টিএস ত্রিমূর্তি সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে ভারতকে সমর্থন করার জন্য সমস্ত সদস্য দেশকেও আবেদন করেছেন। তিনি বলেন যে, ভারতের কৌশল স্পষ্ট যে, তাঁরা সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে পাকিস্তানের উপর সর্বাত্মক চাপ প্রয়োগ করবে।

অধ্যাপক ড. পন্থ বলেছেন যে, ভারত এটা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তাঁরা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। আর এর জন্য অন্যান্য দেশের সহযোগিতাও নেওয়া হবে। ভারতের এই অবস্থানে পাকিস্তান অবশ্যই চিন্তিত হবে। পাশাপাশি ভারত বলেছে যে, তাঁরা সিটিসিকে আরও কার্যকারী করার দিকেও কাজ করবে। তিনি বলেন, এর পেছনে ভারতের উদ্দেশ্য হচ্ছে সিটিসির সিদ্ধান্তগুলো আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা।

অধ্যাপক পন্থ বলেন যে, ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) দ্বারা পাকিস্তানকে সাম্প্রতিক ধূসর তালিকাভুক্ত করার পর ভারতের এই কঠোর অবস্থান অবশ্যই ইমরান খানদের উদ্বেগকে বাড়িয়ে তুলবে। এর ফলে আজহার মাসুদ, হাফিজ সাঈদের মতো সন্ত্রাসীদের রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে।

ড. পন্থ বলেন, পাকিস্তান টানা তৃতীয় বছর FATF-এর ধূসর তালিকা থেকে বেরিয়ে আসতে অক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, পাকিস্তান ৩৪টির মধ্যে ৩০টি শর্ত পূরণ করেছ। চারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে, যেগুলো এখনো পূরণ করা বাকি। বিশেষ বিষয় হল FATF কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে সমর্থনকারী তুরস্ককেও ধূসর তালিকায় রেখেছে। তুরস্কের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে অর্থায়ন, পর্যবেক্ষণ ও পদক্ষেপে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। ২০১৯ সাল থেকে তুরস্কের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তুরস্ক ভান দেখিয়েছে শুধু, কোনও পদক্ষেপ নেয়নি।

dr harsh v pant

পন্থ বলেন, আফগানিস্তানের ঘটনার পর সন্ত্রাসবাদ নিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায় যেভাবে বিভক্ত, তা খুবই উদ্বেগের বিষয়। ভারত বলেছে যে তাঁদের অনুপ্রেরণার ভিত্তিতে সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করার বিরোধিতা করা উচিত। এর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই ইস্যুতে বিভাজন বিশ্বকে আবারও সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনবে যেটা আমেরিকায় ১১ সেপ্টেম্বর হামলার আগে ছিল। তখন ‘আমাদের সন্ত্রাসী’ আর ‘আপনার সন্ত্রাসী’ পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। আমরা কাউকে কোনও ধরনের সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করার অনুমতি দিতে পারি না।

[ad_2]