Press "Enter" to skip to content

ইজরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষের ইতিহাস ১২০ বছরের পুরনো, জেনে নিন কিছু তথ্য



নয়া দিল্লীঃ ইজরায়েল আর প্যালেস্তাইনের মধ্যে শুরু হওয়ার বিবাদ এখন যুদ্ধের রূপ নিচ্ছে। ইজরায়েলের তরফ থেকে বুধবার করা হামলায় জঙ্গি সংগঠন হামাসের অনেক শীর্ষ কম্যান্ডার শেষ হয়েছে। আরেকদিকে, হামাসের রকেট হামলাতেও ইজরায়েলের অনেক নাগরিকের মৃত্যুর খবর আসছে। এছাড়াও একজন ভারতীয় নাগরিকেরও মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই সংঘর্ষে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বলে দিই, ইজরায়েল আর ফিলিস্তিনের বিবাদ নতুন কিছু নয়, এটা দীর্ঘ ১২০ বছর ধরে চলে আসছে।

ইজরায়েল আর ফিলিস্তিনের মধ্যে এই বিবাদ ইহুদি আর জগতের মানুষের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের স্থাপনা নিয়ে শুরু হয়। ১৯৪৭ সালে সংযুক্ত রাষ্ট্র ইজরায়েলের অস্তিত্বকে মান্যতা দেওয়ার পর থেকেই ওই অঞ্চলে হিংসা আর উত্তেজনার সফর জারি রয়েছে।

  • ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের শুরুর দিকে গলফ কান্ট্রিগুলোতে অনেক আন্দোলন হয়, তাঁদের দাবি ইহুদি আর আরব জগতের জন্য স্বাধীন একটি রাষ্ট্রের স্থাপনা।
  • ১৯২০-র দশনে ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদ চরমে ছিল আর জেরুসালেমে লক্ষ লক্ষ আরব নাগরিক ইহুদীদের আগমনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
  • ১৯৪৭ সালে ফিলিস্তিনকে দুটি অংশে ভাগ করে, ইহুদীদের জন্য ইজরায়েল আর আরব জগতের জন্য ফিলিস্তিন। এরপর আরব জগত আপত্তি জাহির করে আর গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
  • ১৯৬৭ সালে গলফ কান্ট্রিতে জারি যুদ্ধ আর হিংসার মধ্যে গাজা পট্টি, সিনায় উপদ্বীপ, জেরুসালেমের পূর্ব আর পশ্চিম উপকূলে কবজা হয়ে যায়, দুই দেশের মধ্যে তখন থেকে সীমান্ত নিয়ে বিবাদ চলছে।

বিবাদের কেন্দ্র জেরুসালেম কেন?

পুরনো জেরুসালেমের মধ্যভাগে একটি ‘টেম্পল মাউন্ট” নামের পাহাড় আছে। ওই পাহাড় ইহুদীদের সবথেকে পবিত্র স্থল হিসেবে জানা যায়। মুসলিের মধ্যে ওই জায়গা ‘হরম অস-শরিফ” নামে প্রসিদ্ধ। আল-আকসা , কুব্বত আল-সখরার মতো তীর্থক্ষেত্র সেখানেই উপস্থিত। আরেকদিকে, খ্রিষ্টানদের মতে যিশু খ্রিস্ট সেখানেই উপদেশ দিয়েছিলেন, ওনাকে সেখানে শূলে চড়ানো হয়েছিল, আর এর কিছুদিন পর তিনি আবারও প্রকট হন।

ইজরায়েল গোটা জেরুসালেমকে নিজেদের অবিভক্ত রাজধানী মানে। আর ফিলিস্তিন জেরুসালেমের পূর্বের দিকে নিজেদের রাজধানী স্থাপন করতে চায়। তবে মঞ্চ ওই অঞ্চলকে ইজরায়েলের অংশ বলে মান্যতা দেয় নি।