Press "Enter" to skip to content

ইতিহাস গড়ল সানা, পাকিস্তানে প্রথমবার কোনও হিন্দু মেয়ে হল প্রশাসনিক আধিকারিক


নয়া ের শিকারপুরের িন্দা সানা রামচন্দ গুলওয়ানির উপর আজ সবা গর্ব করছে। সানা প্রথম যে প্রশাসনিক সেবায় নিযুক্ত থাকবে। ২৭ বছর বয়সী সানা নিজের প্রথম প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সবথেকে কঠিন পরীক্ষা হিসেবে খ্যাত সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিসেস (CSS) পাশ করেছে। পাকিস্তানের CSS পরীক্ষা ভারতের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার মতোই। এই পরীক্ষায় পাশ করে পরীক্ষার্থী প্রশাসনিক সেবার কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়।

সানা এই পরীক্ষা মে মাসে পাশ করেছিল। আর তাঁর নিযুক্তিতে সেপ্টেম্বর মাসে সিলমোহর পড়ে। ভারতের থেকে আলাদা হওয়ার পর পাকিস্তানে এখনও পর্যন্ত কোনও মহিলা প্রশাসনিক সেবায় নিযুক্ত ছিলেন না। বলে দিই, এর আগে সানা একজন সার্জেন হিসেবে পাকিস্তানে কাজ করত। পাঁচ বছর আগে সানা বেনজীর ভুট্টো মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর অফ মেডিসিনের ডিগ্রি হাসিল করেছিল। সানা সিন্ধ প্রান্তের গ্রামীণ আসন থেকে পরীক্ষায় বসেছিল। ওই আসন পাকিস্তানের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসের অন্তর্গত।

সানা জানায়, মেডিক্যাল থেকে পড়াশোনা করার পর আমার বাবা-মা কখনও চাইতেন না যে আমি প্রশাসনিক সেবার অংশ হই। ওনারা চাইতেন আমি ডাক্তারির সেবাতেই নিযুক্ত থাকি। আর এই কারণেই আমি আগে আমার বাবা-মায়ের লক্ষ্য পূরণ করেছি। এরপর আমি আমার স্বপ্ন পূরণে ব্যস্ত হয়ে যাই।

বলে দিই, পাকিস্তানের CSS পরীক্ষা এতটাই কঠিন যে প্রতি বছর মাত্র ২ শতাংশ পরীক্ষার্থীই পাশ হতে পারে। ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই পরীক্ষায় মাত্র ১ লক্ষ ৯৬ হাজার জনই পাশ করতে পেরেছেন।