Press "Enter" to skip to content

ইয়াসে ১৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী, ক্ষতিপূরণ পেতে কি করতে হবে জানালেন তিনি


কলকাতাঃ বুধবার বাংলার () কান ঘেঁষে গিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস (Cyclone Yaas)। ঘূর্ণিঝড় বাংলার উপর দিয়ে যাওয়ার আগে থেকেই কন্ট্রোল রুমে বসে ছিলেন বন্দ্যোপাধ্যায় ( Banerjee)। ইয়াসের বিপদ কাটার পরই তিনি কন্ট্রোল রুম ছাড়েন। ঘূর্ণিঝড় যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাঁর হিসেব নিকেশ করে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার থেকে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে কমবেশি ১৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী আগেই বলেছিলেন যে, দুর্যোগ কেটে যাওয়া মাত্রই দ্রুত উদ্ধারকাজ এবং ক্ষতিপূরণের দিক গুলো নিয়ে বিবেচনা করা হবে। প্রতিশ্রুতি পালন করে ঝড় যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিসংখ্যান নিয়ে ক্ষতিপূরণের ব্লুপ্রিন্ট কষা শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল মিটিংয়ে বিভিন্ন দপ্তরের সচিবদের থেকে ক্ষতির বিবরণ নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, রাজ্যের মোট ১.১৬ লক্ষ হেক্টর কৃষিজমির ফসল ক্ষতি হয়েছে। তিনি জানান, এর মোট আর্থিক ক্ষতি দুই হাজার কোটি টাকার মতো। তিনি এও জানান যে, ইয়াস আসার আগে বেশ কয়েকটি জায়গায় ছোটখাটো টর্নেডো তৈরি হওয়ার অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করেন মুখ্যমন্ত্রী, সেখানে ক্ষতিপূরণের কাজ কীভাবে করা হবে সেটা নিয়ে বিবেচনা করা হবে।

রাজ্য ের তরফ থেকে ইতিমধ্যে ১ হাজার কোটি টাকার ঘোষণা হয়েছে এই আর্থিক ক্ষতি পূরণের জন্য। সেই টাকা যেন ঠিকভাবে ব্যবহার হয়, তাঁর নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী এও জানান যে, রাজ্যে দুয়ারে সরকারের মতই দুয়ারে ত্রাণ বিলি করা হবে। জুন মাসের ৩ তারিখ থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত দুয়ারে ত্রাণ বিলি হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষতিগ্রস্তরা নিজেরাই ত্রাণের জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে জানান তিনি। ১৯ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত আবেদন খতিয়ে দেখার পর ১ জুলাই থেকে ৮ জুলায়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

কিন্তু সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কেন টাকা ট্র্যান্সফার? ওয়াকিবহাল মহলের মতো গত বছরে আমফান ঝড়ের পর রাজ্যে ত্রাণ বন্টন নিয়ে অনেক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। আর এই দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছিল -কর্মীদের নাম। তাই এবার স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই হয়ত মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর কথা বলেছেন।