Press "Enter" to skip to content

উচ্চ শিক্ষিত হয়েও ঘুরছেন সন্ন্যাসিনী হয়ে, ২১ বছর বয়সী এই কন্যার সাধ্বী হওয়ার কারণটা অনেক বড়

কলকাতাঃযেকোন মানুষ তার জীবনে আগে পড়াশোনা করে তারপর করে। হ্যাঁ, সাধারণত অনেকেই পড়াশোনা শেষে ভালো চাকরি করার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু আজ আমরা এমন এক মেয়ের কথা বলতে যাচ্ছি যে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে অন্যরকম ভাবেন। এই মেয়ের ভাবনার কথা জানলে নিশ্চয় আপনিও অবাক হবেন। যেকোনও ব্যক্তির মনে সেই সময়ে একজন সন্ন্যাসী বা সাধ্বী হওয়ার ইচ্ছা আসে, যখন সে তার সমস্ত দায়িত্ব পালন করে ফেলেন।

আজ আমরা এমন এক মেয়ের কথা বলব, যার বয়স মাত্র একুশ বছর এবং এই অল্প বয়সেই সে সাধ্বী হয়েছেন। হ্যাঁ, অবশ্যই আপনিও জানতে চান কেন এই মেয়েটি এমন পদক্ষেপ নিল এবং এর পেছনের কারণ কী? তাহলে চলুন এই মেয়েটির গল্প নিয়ে আপনাদের বিস্তারিত বলি। আপনার অবগতির জন্য বলে রাখি যে, এই মেয়েটির নাম জয়া কিশোরী এবং সে একদিকে যেমন চেহারার দিক থেকে সুন্দর, তেমনই অন্যদিকে প্রতিষ্ঠিত একটি পরিবারেরও অন্তর্ভুক্ত।

এই ঘটনাটি রাজস্থানের সুজানগড়ে। জয়া কিশোরী বলেন, শৈশব থেকেই তার কাছে এমন একটি শক্তি ছিল যা তাকে ঈশ্বরের প্রতি আকৃষ্ট করত। আর এই কারণেই অন্য কোনও বিষয়ে মনোনিবেশ না করে তাঁর মন কেবল ভগবানের ভক্তিতে নিিত ছিল। এর পর জয়া জানান যে, তিনি যখন অনুভব করলেন যে তিনি এখন সন্ন্যাসী হতে পারবেন, তখন তিনি এই পথ বেছে নেওয়াই আদর্শ মনে করেছিলেন। বলে দিই যে, বর্তমানে জয়া মানুষকে ঈশ্বর সম্পর্কে সচেতন করতে সারা দেশে ভ্রমণ করেন। তবে এখানে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল এত কিছু করার পরেও সে বি.কম পড়ছে।

এখন এটা স্পষ্ট যে সন্ন্যাসী হওয়ার পর জয়া আর কোনও চাকরি করবেন না। কিন্তু তা সত্ত্বেও সে এখনও পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। জয়া এ সম্পর্কে বলেন, শিক্ষা লাভের কোনও কারণ বা কোনও সীমা নেই, জ্ঞানই একজন মানুষকে উন্নত করে। জয়া বলেছেন যে, জ্ঞান এমন একটি ভাণ্ডার যা সারা জীবনেও শেষ হবে না। যাইহোক, আপনি জেনে অবাক হবেন যে জয়া কিশোরী সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ সক্রিয়। এমনকি তার লক্ষ লক্ষ অনুরাগীও রয়েছে, যাদের জন্য জয়া প্রায়শই তার ভিডিও এবং কিছু ছবি শেয়ার করেন। সন্ন্যাসী হওয়ার পরেও, জয়া তার জীবনে একজন সাধারণ মেয়ে যা করে থাকে, তাই করে।