Press "Enter" to skip to content

‘ঋণ দেব না” সাফ জানিয়ে সব ব্যাংকই তুলে নিয়েছে হাত, ইতিহাসের সবথেকে বড় সংকটে পাকিস্তান


নয়া দিল্লিঃ ি মিডিয়া (Pakistani Media) প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে () স্বপ্ন বিক্রি করা নেতা আখ্যা দিয়ে দেশের (Pakistan) বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা জাহির করেছে। নতুন পাকিস্তান গড়ার স্বপ্ন নিয়ে সরকার গড়া ইমরান খান হামেশাই দেশবাসীকে বলে আসছেন ‘একদম ঘাবড়াবেন না”, কিন্তু প্রকৃত সত্য হল পাকিস্তান বর্তমান সময়ে ইতিহাসের সবথেকে বড় সংকটের সম্মুখীন।

পাকিস্তানের ি সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশানালের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইমরান খান ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশ আর্থিক সংকটে ভুগছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, বর্তমানে প্রায় ৫২ বিলিয়ন ডলারের বিদেশি আর্থিক সাহায্য দরকার দেশের। ওই টাকা দিয়ে ২০২১ থেকে ২০২৩-র আর্থিক বছরে পাকিস্তান তাঁদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২১-২২ সালে প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার আর ২০২২-২৩ সালে ২৮ বিলিয়ন ডলারের দরকার। এই অনুমান আইএমএফ-র রিপোর্টের পর ধরা হয়েছে। বর্তমানে পাকিস্তানের সরকার এবং আধিকারিকরা দেশের জন্য বিদেশি সাহায্যের দাবি নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে শেষ পর্যায়ের বার্তার মধ্যে রয়েছে।

সাম্প্রতিক রিপোর্টে বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে যে, বিদেশ থেকে ঋণ নেওয়ার মামলায় পাকিস্তান শীর্ষ দশ দেশের তালিকায় একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইন্টারন্যাশানাল ডেট স্যাটিস্টিকের রিপোর্ট দেখে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম বলেছে যে, পাকিস্তানকে এখন সেই তালিকায় শামিল করা হয়েছে, যার মাথায় বিশাল পরিমাণের ঋণের বোঝা রয়েছে আর যাকে নতুন করে ঋণ দেওয়া হবে না।

বিশ্ব ব্যাংকের রিপোর্টে এও বলা হয়েছে যে, পাকিস্তান বিদেশ থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ ৮ শতাংশ বাড়িয়েছে। এই বছরের জুন মাসের অন্য একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ইমরান সরকার বিশ্ব ব্যাংকের থেকে ৪৪২ মিলিয়ন ডলার ধার নিয়েছে।

এখন বিশ্ব ব্যাংক আর এশিয়ার ব্যাংক পাকিস্তানের ঋণের দাবি নাকোচ করে দিয়েছে। আর এই কারণেই আগামী দিনে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ দেশ চালানো মাথা ব্যথা হয়ে দাঁড়াবে। তাঁদের যে করেই হোক আইএমএফ-র সঙ্গে ৬ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিয়ে সমঝোতা করতেই হবে। কিন্তু আইএমএফও এই নিয়ে পাকিস্তানের উপরে অনেক শর্ত চাপাচ্ছে, যা তাঁদের পক্ষে পূরণ করা অসম্ভব বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।