Press "Enter" to skip to content

একঘরে চীন, বেজিংকে ঝটকা দিয়ে বড়সড় ঘোষণা করতে চলেছে আমেরিকা আর ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন

[ad_1]

নয়া দিল্লিঃ আগামী বছর চীনের (China) বেজিংইয়ে শীতকালীন অলিম্পিক (Winter Olympic Games) হতে চলেছে। অলিম্পিকের এই অনুষ্ঠানের দুই মাসেরও কম সময় বাকি রয়েছে। আর এরই মধ্যে জানা যাচ্ছে যে, এই সপ্তাহে আমেরিকা (United States) চীনের বেজিং শহরে আয়োজিত হতে চলা এই অলিম্পিককে বয়কট করতে চলেছে। এই সপ্তাহেই এর ঘোষণা করতে পারে আমেরিকা। হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে অলিম্পিকের আয়োজন করা দেশে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়, কিন্তু এবার তা সম্ভব না বলেই মানা হচ্ছে।

এদিকে বেজিং অলিম্পিকের কূটনৈতিক বয়কটের ডাক দিয়েছে আমেরিকার শীর্ষ সাংসদরাও। NBA বাস্কেটবল খেলোয়াড় এবং স্পষ্টভাষী মানবাধিকার আইনজীবী অ্যানেস কান্টার বয়কটের আহ্বান জানানো সর্বশেষ হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিদের একজন। আমেরিকার এই পদক্ষেপকে আমেরিকান ক্রীড়াবিদদের প্রতিযোগিতায় বাধা না দিয়ে বিশ্ব মঞ্চে চীনকে একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠানোর প্রচেষ্টা হিসাবে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল যারা ব্যক্তিগতভাবে বয়কট নিয়ে আলোচনা করছে, তাঁরা এই বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। যদিও সম্পূর্ণ বয়কট হবে না, আমেরিকান ক্রীড়াবিদদের এখনও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। শেষবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পূর্ণভাবে অলিম্পিককে বয়কট করেছিল ১৯৮০ সালে, তখন জিমি কার্টার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সংসদ সদস্যরা এই বিষয়ে একমত হয়েছেন, তাঁরা বলেছেন যে চীনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে আমাদের বেইজিং ২০২২ শীতকালীন অলিম্পিকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করা উচিত। এর সাথে, EU সাংসদরা তাদের সরকারের কাছে উইঘুর মুসলমানদের প্রতি চীনের আচরণের উপর আরো বিধিনিষেধ আরোপের দাবি জানিয়েছেন।

অতীতে ছয়টি অলিম্পিক গেমসে বয়কট ও কম দেশ অংশগ্রহণের শিকার হয়েছে। 1956 (মেলবোর্ন), 1964 (টোকিও), 1976 (মন্ট্রিয়াল), 1980 (মস্কো), 1984 (লস অ্যাঞ্জেলেস) এবং 1988 (সিওল) যুদ্ধ, আগ্রাসন এবং বর্ণবাদের মতো কারণে বিভিন্ন দেশ এই অলিম্পিক গেমস বয়কট করেছিল।

[ad_2]