Press "Enter" to skip to content

এক সপ্তাহের মধ্যে হাতের নাগালে করোনার যম DRDO-র ‘2 DG” ওষুধ


নয়া দিল্লীঃ এই মুহূর্তে দেশ জুড়ে ভয়াবহ ভাবে ি পাচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ। প্রতিদিনই আক্রান্ত হচ্ছেন তিন লাখেরও বেশি মানুষ। এমাসের শুরুর দিকেই সংখ্যাটা ছাড়িয়েছিল চার লক্ষ। তার থেকে পরিমাণ কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি এখনো খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়, কারণ ইতিমধ্যেই করোনার করালগ্রাসে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২ লক্ষ ৬৬ হাজার মানুষ। আমাদের এ রাজ্যেও গত ২৪ ঘন্টায় মারা গিয়েছেন ১৩৬ জন সহনাগরিক। এমতাবস্থায় ভারতকে আরও একটি সুসংবাদ শোনালো ডিআরডিও। কিছুদিন করোনামুক্তির রামবাণ ২-ডিজি আবিষ্কার করে সকলকে আশার আলো দেখিয়েছিলেন ডিআরডিওর বিশিষ্ট তিন ী সুধীর চান্দনা, অনন্ত নারায়ন ভাট এবং অনিল কুমার মিশ্র। এবার সংস্থার তরফে জানানো হলো এক সপ্তাহের মধ্যেই বাজারে আসতে চলেছে সেই ওষুধ।

২-ডিঅক্সি ডিগ্লুকোজ করোনার মুক্তিতে যুগান্তর আনতে চলেছে এ কথা আগেই দাবি করেছিল সংস্থা। জানানো হয়েছিল, প্রথম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তিন ধাপে পরীক্ষাতেই আশাব্যঞ্জক ফলাফল লাভ করেছে এই ওষুধ। সংস্থার তরফে অনন্ত নারায়ন জানিয়েছিলেন, “গত বছরের এপ্রিল মাসে ওষুধের প্রথম দফার পরীক্ষা করা হয়। এরপর ২০২১ মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার ট্রায়াল চলে। সন্তোষজনক ফলাফল পাওয়ায়, ২০২০-র ডিসেম্বর থেকে ২০২১-এর মার্চ মাস পর্যন্ত চলে ওষুধের তৃতীয় ট্রায়াল।”দ্বিতীয় ধাপে প্রায় ১১০ ও তৃতীয় ধাপে প্রায় ২২০ জন মানুষের উপর পরীক্ষা করা হয় এই ওষুধ। সন্তোষজনক কোন মেলায় ছাড়পত্র দিয়েছিল ড্রাগ কন্ট্রোলার ডিপার্টমেন্টও।

এই ওষুধ প্রস্তুতির কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করেছে হায়দ্রাবাদের রেড্ডিস ল্যাব।সংস্থার পক্ষ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “করোনার চিকিৎসার জন্য আগামী সপ্তাহেই বাজারে আসতে চলেছে ২-ডিজি ওষুধের প্রথম ব্যাচটি। এতে থাকবে দশ হাজার ডোজ। ওষুধটি বাজারে এলেই তা রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হবে।” গত শনিবারই জানানো হয়েছিল রোগীর শরীরে অক্সিজেন নির্ভরতা কমাতে অনেকটাই সমর্থ এই ২-ডিজি।দেখা গিয়েছে এই ওষুধের ব্যবহারে অন্য ওষুধের থেকে অনেক দ্রুত করোনা থেকে মুক্তি পেয়েছেন মানুষ। এই ওষুধের প্রধান উপাদান গ্লুকোজের অনু। এর আগে রেমডেসিভির, ভিরাফিনকেও জরুরী ভিত্তিতে ছাড়পত্র দিয়েছিল ডিসিজিআই। এইপ্রকার তৎপরতা দেখানো হয় ২-ডিজির ক্ষেত্রেও। সংস্থার তরফে অনন্ত নারায়ন আগেই জানিয়ে ছিলেন, ওষুধের দাম অত্যন্ত কম রাখা হবে। যাতে সাধারনের ক্ষেত্রে তা ব্যবহার করতে সুবিধা হয়। তবে আপাতত কেবলমাত্র জরুরী ভিত্তিতেই এই ওষুধের ব্যবহার করা হবে বলে জানা গিয়েছে।