Press "Enter" to skip to content

‘এখানে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ” বারাণসীর গঙ্গার ঘাটে পোস্টার লাগাল বিশ্বহিন্দু পরিষদ

[ad_1]

বারাণসীঃ আধ্যাত্মিকতার শহর কাশীর গঙ্গা ঘাটে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে পোস্টার লাগানো হয়েছে। এই পোস্টারগুলি বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) এবং বজরং দল দ্বারা লাগানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কাশীর গঙ্গা ঘাট ছাড়া আরও মন্দিরে এই ধরনের পোস্টার লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে এই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর।

বর্তমানে পুলিশও এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এসব পোস্টার হটানোর কাজ করা হচ্ছে। অন্যদিকে বজরং দলের কাশী মহানগরের আহ্বায়ক নিখিল ত্রিপাঠী রুদ্র বলেছেন, এখন হিন্দু সমাজকে তাদের শক্তি দেখাতে হবে এবং তাদের ধর্ম ও সমাজ রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। সবকিছু সরকারের হাতে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। মন্দিরে বা গঙ্গার ঘাটের ধারে যেখানেই কোনও বিধর্মী প্রবেশ করবে, তাকে ঘটনাস্থলেই ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

কাশ্মীর পঞ্চগঙ্গা ঘাট, রামঘাট, মণিকর্ণিকা ঘাট, দশাশ্বমেধ থেকে অসি ঘাট পর্যন্ত এই পোস্টার লাগিয়েছে ভিএইচপি এবং বজরং দলের সদস্যরা। সেখানে স্পষ্ট লেখা হয়েছে যে, কাশীর গঙ্গা ঘাটে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ। গঙ্গার ঘাটে পোস্টার লাগানোর পর এখন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বজরং দল কাশীর মন্দিরে এই ধরনের পোস্টার লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছে।

VHP-র মহানগর মন্ত্রী রাজন গুপ্তা বলছেন, মন্দির এবং গঙ্গার ঘাট হল সনাতন ধর্মের লোকদের বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার জায়গা, এখানে অন্য ধর্মের মানুষের কী কাজ। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মহানগর সভাপতি কানহাইয়া সিং বলেছেন, ধর্ম রক্ষার জন্যই এমন করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, গঙ্গার ঘাট ও বারাণসীর বহু মন্দিরে এই ধরনের ব্যানার লাগানো নিয়ে সমাজবাদী পার্টির তরফ থেকেও প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে। সমাজবাদী পার্টি এটাকে বিজেপি এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ধর্মীয় মেরুকরণ তৈরির ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করেছে। মহামৃত্যুঞ্জয় মন্দির পরিবারের সাথে যুক্ত এবং সমাজবাদী পার্টি যুবজন সভার জেলা সভাপতি কিষাণ দীক্ষিত বলেছেন যে, বারাণসীতে সমস্ত ধর্মের মানুষেরা যেভাবেই হোক না কেন সকল ধর্মের ধর্মীয় স্থানকে সম্মান করে।

তিনি বলেছেন, সাধারণত কোনও মুসলিম মন্দিরে যায় না, বা হিন্দু মসজিদে যায় না। তাই এ ধরনের ব্যানার লাগানো অনুচিত। এসপি নেতা বলেছেন যে, বিজেপির কাছে কোনও ইস্যু নেই আর। তাই এখন ধর্মীয় মেরুকরণ করে সমাজের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা চলছে।

[ad_2]