Press "Enter" to skip to content

ওঁরা জোট করে, ছয় মাস পর আবার একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ে! মমতার দিল্লী সফরকে খোঁচা বিজেপির

[ad_1]

নয়া দিল্লীঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী (Mamata Banerjee) আজ বিকেল ৩টে নাগাদ কলকাতা থেকে দিল্লীর উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন। এই সফর নিয়ে বিজেপির নেতাদের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তাঁরা ২০১৮ সালে এইচডি কুমারস্বামীর শপথ গ্রহণের কথা মনে করান, যেখানে মমতা ব্যানার্জী, মায়াবতী আর কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধী সহ বাম নেতারা এক হয়ে একতার বার্তা দিয়েছিলেন। ওই মঞ্চে অখিলেশ যাদব, শরদ পাওয়ার আর তেজস্বী যাদবও ছিলেন। বিজেপির এক বর্ষীয়ান নেতা বলেন, ‘সোনিয়া-মায়াবতীর আলিঙ্গন আর মায়াবতীকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পেশ করার পর সেই একতার কী হল? ওই একতা তো ছয় মাসও টিকেছিল না। সেই সময় মায়াবতী নিজেই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান আর ছত্তিসগড়ে নির্বাচনে লড়েছিলেন।”

তবে সেসব এখন অতীত। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নাম উঠে আসা মায়াবতী এখন অন্ধকারে। আর এবার ওনার জায়গা নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। রাজ্যে বড় জয়ে উৎসাহিত হয়ে ২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে বিরোধীদের একজোট করার প্রচেষ্টা করছেন তিনি। মমতা ব্যানার্জী একজন লড়াকু নেত্রী, যিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যে মোকাবিলা করার ক্ষমতা রাখেন, সেটা আগেই বুঝিয়ে দিয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে জয় জাতীয় স্তরে মমতা ব্যানার্জীর নাম যে আরও উঁচু করেছে, সেটা বলাই বাহুল্য। একদিকে বাংলায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করে, মমতা ব্যানার্জী এখন কংগ্রেসের সঙ্গে জাতীয় স্তরে জোট করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। কংগ্রেসও তৃণমূলের সঙ্গে জোট করার জন্য এক পা এগিয়ে রেখেছে। আরেকদিকে, প্রশান্ত কিশোরও বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে এক করার প্রচেষ্টায় রয়েছেন।

তবে এখন প্রশ্ন উঠছে যে, ২০১৮ সালে বিজেপির বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া জাতীয় জোট ভাঙল কী করে? এক বিজেপি নেতার মতে, কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা রাহুল গান্ধী ছাড়া আর কাউকে ‘প্রধানমন্ত্রীর মুখ” মানতে তৈরি না। এমনকি তাঁরা এও চায়না যে, কংগ্রেসের রাশ গান্ধী পরিবার ছাড়া কাওর হাতে যাক। আরেকদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা গোটা ভারতে নেই। বিশেষ করে হিন্দি ভাষী রাজ্যে। তাহলে কী কংগ্রেস উত্তর প্রদেশ বিহারের মতো নিজের বদলে অন্য দলকে দায়িত্ব দেওয়ার ঝুঁকি নেবে?”

বিজেপির নেতা জানান, নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে বিরোধীদের একতার পরীক্ষা ২০২৪ সালের আগে উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে হবে। সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি আর কংগ্রেস সবাই বলেছে যে, একা নির্বাচনে লড়বে। উত্তর প্রদেশের এক বিজেপি নেতা বলেন, ‘বিরোধীরা গোটা দেশে বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হওয়ার জন্য তোড়জোড় করছে, আর তাঁর আগে উত্তর প্রদেশে নিজেদের একজোট করতে অসমর্থ হচ্ছে। বিরোধীরা যে জোট নিয়ে ধ্বন্দে রয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।”

[ad_2]