Press "Enter" to skip to content

‘ওঁর হাতে রত্নাকে তুলে না দিলেই ভাল হত” জামাইষষ্ঠীতে আক্ষেপ শোভনের শ্বশুরের


জামাইষষ্ঠীর দিনে গুণধর জামাইয়ের বিরুদ্ধে সরব হলেন শ্বশুরমশাই। জামাই হলেন বর্তমানে ের সবথেকে চর্চিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শোভন চট্টোপাধ্যায়। আর শ্বশুর হলেন শোভনের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বাবা দুলাল দাস। আজকের দিনে যখন সব শ্বশুরই তাঁদের জামাইকে আদর-জত্ন করে খাওয়া-দাওয়া করাতে ব্যস্ত, তখন দুলাল দাসের মতো অভাগা শ্বশুর নিজের জামাইকেই তুলোধোনা করলেন। তিনি আজ সবার সামনে মুখ খুলে বলেন, ‘আমি কখনওই রত্নাকে শোভনের হাতে তুলে দিতে চাইনি।”

উল্লেখ্য, বিগত চার বছর ধরে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়ের দাম্পত্যকলহ সর্বোচ্চ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্ত্রী রত্নাকে ছেড়ে দিয়ে বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন শোভনবাবু। এমনকি তিনি স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও ব্যাভিচারের অভি তুলে বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও করেছেন।

আরেকদিকে, জামাইষষ্ঠীর দিনে বন্ধু শোভনকে বড় উপহার দিয়েছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজের অ্যাকাউন্টের নাম করে বৈশাখী শোভন বন্দ্যোপাধ্যায় করে নিয়েছেন। আরেকদিকে, রিটার্ন গিফট হিসেবে শোভনবাবু নিজের স্থাবর, অস্থাবর সমস্ত সম্পত্তি বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধায়ের নামে করে দিয়েছেন। এই প্রকাশ্যে আসতেই এই জুগল আবারও চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জামাই শোভনের এই কাণ্ড কারখানা সামনে আসতে মহেশতলার প্রাক্তন পুরপ্রধান দুলাল দাসের গলার আক্ষেপের সুর শোনা গিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি কলকাতায় একজনের বাড়ি গিয়েছিলাম, সেখানে শোভনরা চার ভাই মিলে আমার হাতে-পায়ে ধরে রত্নার সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার জন্য রাজি করায়। আমিতো ওঁর হাতে আমার মেয়েকে তুলে দিতেই চাইনি। ওঁর বাবা আর মাও আমাকে আবেদন করেন। ওঁর মা বলেন, বাড়িতে বউ এলে রত্নাই আসবে আর কেউ না। এখন মনে হচ্ছে শোভনের মতো জামাই থাকার থেকে না থাকা ভালো।”