Press "Enter" to skip to content

‘ওটা বদ্রিনাথ না, বদরুদ্দিন শাহ! মুসলিমরা কবজা করার জন্য কুচ করবে!” ভাইরাল মৌলানার ভিডিও

নয়া দিল্লীঃ উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের এক মৌলানার () সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল () হচ্ছে। সেখানে ওই মৌলানাকে পবিত্র স্থল বদ্রিনাথকে (Badrinath) মুসলিমদের জায়গা বলতে শোনা যাচ্ছে। আবদুল লতিফ ভাইরাল ভিডিওতে বলছেন, বদ্রিনাথ ধাম হিন্দুদের তীর্থস্থল না, ওটা মুসলিমদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর হিন্দু সংগঠনের নেতারা ওই মৌলানাকে গ্রেফতার করার দাবি জানিয়েছে।

ভিডিওতে মৌলানা বলছেন, ‘আসল সত্য হল, ওটা বদ্রিনাথ না, ওটা বদরুদ্দিন শাহ। এটা মুসলিমদের ধার্মিক স্থল। সেই কারণে জায়গাটি মুসলিমদের হাতে তুলে দেওয়া উচিৎ। এটা বদ্রিনাথ না। নাথ জুড়ে দিলেই হিন্দু হয়ে যায় নাকি? ওটা বদরুদ্দিন শাহ। ইতিহাস ঘেঁটে দেখে কথা বলুন। মুসলিমরা তাঁদের ধার্মিক স্থল ফেরত চায়।”

মৌলানা নরেন্দ্র মোদী আর উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মুসলিমদের হাতে বদ্রিনাথ তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি কর্তৃপক্ষকে শীঘ্রই মন্দির খালি করার জন্য বলেছেন তিনি। শেষে হুমকির সুরে মৌলানা বলেন, ‘মুসলিমদের হাতে যদি তাঁদের ধার্মিক স্থল তুলে না দেওয়া হয়, তাহলে আমরা বদ্রিনাথ কুচ করব। মুসলিমরা বদ্রিনাথ পর্যন্ত মিছিল করে মন্দির দখল করবে।” তবে ভাইরাল এই ভিডিও নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে আমরা পেয়েছি যে, এই ভিডিওটি ৪ বছরের পুরনো। ২০১৭ সালে মৌলানা এই দাবি করেছিলেন। তবে নতুন করে ভিডিওটি আবারও ভাইরাল হচ্ছে।

https://platform.twitter.com/widgets.js

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালেও মৌলানা আবদুল লতিফ বদ্রিনাথ নিয়ে এরকমই বার্তা দিয়েছিলেন। সেই সময়ও তিনি শিরোনামে উঠে এসেছিলেন। আবদুল লতিফ উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের দারুল উলুম নিশওয়াহ-র মৌলানা। ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে চিঠি লিখে বদ্রিনাথের দাবি তুলেছিলেন তিনি। সেই সময় বদ্রিনাথের পুরোহিতরা ওনাকে পাগল বলে আখ্যা দিয়েছিল। যোগগুরু বাবা রামদেব প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেছিলেন, বদ্রিনাথের স্থাপনা ইসলাম জন্ম নেওয়ার আগে হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, কদিন আগেই হিন্দুদের পবিত্র স্থল বদ্রিনাথ ধামে ১৫ জন মুসলিম শ্রমিক দ্বারা নামাজ পড়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। হিন্দু সংগঠনের কর্মীরা উত্তরাখণ্ডের পর্যটন মন্ত্রীর কাছে শ্বেতপত্র জমা দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলেছিল। যদি, পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে, তাঁরা কেউ মন্দিরে নামাজ পড়েনি। তাঁরা মন্দিরের বাইরে একটি নির্মাণ স্থলে নামাজ পড়েছিল।