Press "Enter" to skip to content

‘কর্মীরা আক্রান্ত আমরা নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরতে পারব না”, বলল সুরক্ষা প্রত্যাহার করা বিজেপি বিধায়করা



ভোট পরবর্তী বাংলায় (west bengal) যেহারে সন্ত্রাসের আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল, তাঁর পরবর্তীতে বিজেপি () বিধায়কদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Home Ministry)। কিন্তু দেখা গেল প্রায় ১৫ জন বিধায়ক এই নিরাপত্তা নিলেন না। যা নিয়ে সংশয় বাড়ছে গেরুয়া িরে।

বিধানসভা নির্বাচনে পক্ষ থেকে প্রার্থী করা দুই সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক এবং জগন্নাথ সরকার জয়ী হওয়ার পর তাঁরা বিধায়ক পদ ছেড়ে দিয়ে পূর্বেকার সাংসদ পদই বহাল রাখতে চান। যার ফলে রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৫ জন। কিন্তু তার মধ্যে ১৫ জন বিধায়ক কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিলেন না বলে জানা গিয়েছে বিজেপি সূত্রে।

এপ্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, যেসব এলাকায় সন্ত্রাস নেই, সেখানকার বিধায়করা সিকিউরিটি নেননি। আবার যাদের নিরাপত্তার প্রয়োজন ছিল, তারাই নিরাপত্তার আবেদন করেছিলেন। যেমন ভোট পরবর্তীতে সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়ায় হামলার আশঙ্কা করে কোচবিহার থেকে নির্বাচিত বিধায়করা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, যে ১৫ জন বিধায়ক কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নেননি, তাঁদের মধ্যে অনেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ার জন্য আবেদন করেননি। কারণ তাঁদের অনেকের বাড়িতেই নিরাপত্তা বাহিনীকে রাখার জন পর্যাপ্ত জায়গা নেই। যেমন- চন্দনা বাউড়ি, শিলিগুড়ির জয়ী বিধায়করা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নেননি। আরেকদিকে, নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা বিজেপির বিধায়করা জানিয়েছেন, রাজ্য জুড়ে আমাদের কর্মীরা নিরাপত্তাহীন, ওদের নিরাপত্তা কে নেবে? ওঁরা মার খাবে, আমরা নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরব সেটা তো হতে পারেনা।

রাজ্যে নির্বাচনের প্রাক্কালে ২৯৩টি আসনের বিজেপি (bjp) প্রার্থীদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্বাচন শেষে ১০ ই মে তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা বললেও, এবিষয়ে এক বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। জয়ী বিজেপি বিধায়কদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি, পরাজিত বিজেপি প্রার্থীদেরও নিরাপত্তার মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক- এমনটাই জানা গিয়েছিল। ভোট পরবর্তী বাংলায় যেহারে সন্ত্রাসের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে, সেদিকটার কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে