Press "Enter" to skip to content

কাশ্মীরে বদলাচ্ছে পরিস্থিতি, শুরু হচ্ছে জঙ্গিদের দ্বারা জ্বালিয়ে দেওয়া শতাব্দী প্রাচীন মন্দিরের সংস্কারের কাজ

নয়া দিল্লীঃ শ্রীনগরে শতাব্দী প্রাচীন রঘুনাথ মন্দিরের সংস্কারের কাজ শুরু হচ্ছে প্রায় তিন দশক পর। জানিয়ে দিই, তিন দশক আগে জঙ্গিরা এই মন্দিরে হাম’লা করে সেটিকে জ্বালিয়ে দিয়েছিল। ৩৭০ ধারা আর ৩৫ এ রদ হওয়া আর জম্মু কাশ্মীরের প্রশাসনিক পুনর্গঠনের এক বছর পর সরকার শ্রীনগর শহরের কেন্দ্রে থাকা এই শতাব্দী মন্দিরের হারিয়ে যাওয়া গৌরবকে বহাল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মন্দিরের সংস্কারের কাজ রাজ্যের পর্যটন বিভাগকে দেওয়া হয়েছে। মন্দিরের সাথে সাথে ঝিলম নদীর ঘাটকে সুন্দর করে তোলার কাজ করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এই মন্দিরের সংস্কারের কাজকে স্বাগত জানিয়েছে হিন্দুরা। এই মন্দির পুনর্গঠন করে ১৯৯০ এর সেই ভয়াবহ ইতিহাসের ক্ষতে কিছুটা হলেও মলম লাগানো হবে বলে আশা হিন্দুদের। জানিয়ে দিই, ১৯৯০ সালে কাশ্মীরে মৌলবাদীদের হাম’লায় কাশ্মীর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিল কাশ্মীরি পন্ডিতেরা।

ঐতিহাসিক মন্দির যেটা কাশ্মীরি হিন্দুদের কাছে সবথেকে বেশি পূজনীয় ছিল, সেটি ১৯৯০ এর দশকের শুরুতে মৌলবাদীদের দ্বারা বর্বরতাপূর্বক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। সেই সময় উপত্যকায় রক্ত পিপাসু ইসলামিক জ’ঙ্গিদের হাতে কাশ্মীরের হিন্দুদের নর’সং’হার আর পলায়ন দেখে গিয়েছিল। সেই সময় কাশ্মীরকে ইসলামিক রাজ্যে পরিণত করার জন্য তাঁরা উঠেপড়ে লেগেছিল।

১৯৯০ দশকের শুরুতে জঙ্গিরা একটি স্কুল জ্বালিয়ে দিয়েছিল যেটি এই মন্দিরের পরিসরে বানানো হয়েছিল। এরফলে মন্দিরের ধর্মশালা আগুনের কবলে চলে আসে। কট্টরপন্থীদের দ্বারা মন্দিরে হিন্দুদের পুজো না করার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। যদিও, হিন্দুরা তাঁদের কথায় কর্ণপাত করেনি। হিন্দুদের মন্দিরে যাওয়ার থেকে আটকাতে না পেরে গোটা মন্দির চত্বরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল মৌলবাদীরা।