Press "Enter" to skip to content

কৃষি আইন বাতিলে সুবিধা কার, সর্বভারতীয় সমীক্ষায় ঘুম উড়ল বিরোধীদের

নয়া দিল্লিঃ প্রধানমন্ত্রী () নরেন্দ্র মোদী () গত ১৯ নভেম্বর তিনটি কৃষি আইন (Farm Laws) রদ করার ঘোষণা করেছেন। এরপর সমস্ত রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাই এর লাভ আর ক্ষতি নিয়ে পর্যালোচনায় বসেছেন। পর্যালোচনায় উঠে এসেছে যে, কৃষি আইন রদের ফলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা আর বিজেপির কোনও ক্ষতি হচ্ছে না। এই তথ্য IANS-C Voter Snap Opinion Poll এ সামনে এসেছে। এই () কৃষি আইন রদ করার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর থেকে গোটা দেশে চালানো হয়েছে।

৫২ শতাংশের বেশি মানুষ জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সঠিক নির্ণয় নিয়েছেন। অনেকের মতেই এই কৃষি আইন বেকার ছিল, আর এটিকে রদ করার সিদ্ধান্তকে দেশের মানুষ স্বাগত জানিয়েছেন। ৫০ শতাংশের বেশি মানুষ দাবি করেছেন যে, কৃষি আইন কৃষকদের জন্য লাভজনক ছিল। অন্যদিকে ৩০.৬ শতাংশ মানুষ দাবি করেছেন যে, কৃষকদের স্বার্থে ছিল না এই আইন। ৪০.৭ শতাংশ মানুষ কৃষি আইন রদ করার জন্য সরকারের করেছেন। অন্যদিকে ২২.৪ শতাংশ মানুষ এর জন্য বিরোধী দলগুলোর প্রশংসা করেছে। এছাড়াও ৩৭ শতাংশ মানুষ শুধুমাত্র আন্দোলনকারীদের শ্রেয় দিয়েছেন এই আইন রদের জন্য।

এই সমীক্ষা থেকে উঠে আসা তথ্য এটাই বোঝাচ্ছে যে, সাধারণ ভারতীয় কৃষকরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কী ভাবেন। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৮.৬ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন যে, মোদী সরকার কৃষকদের স্বার্থেই কাজ করছে। অন্যদিকে, ২৯ শতাংশ মানুষ মোদী সরকারকে কৃষক বিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছে। সবথেকে অবাক করা বিষয় হল, ৫০ শতাংশের বেশি বিরোধীরা মোদী সরকার কৃষকদের স্বার্থে কাজ করে বলে জানিয়েছে।

এছাড়াও এই সমীক্ষায় এটাও উঠে এসেছে যে, মোদী সরকার এবং বিজেপিকে চাপে ফেলতেই কৃষক বিল রদ করার এই উদ্দেশ্যে দেশজুড়ে আন্দোলন চলেছিল আর এতে বিরোধী দলগুলোর মদত ছিল। সমীক্ষায় এই কথা ৫৬.৭ শতাংশ মানুষ করেছেন। অন্যদিকে, মাত্র ৩৫ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন যে, এই আন্দোলন শুধুমাত্র কৃষকদেরই ছিল। এতে বিরোধী দলের কোনও ভূমিকা ছিল না, আর না কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল।

৫৫ শতাংশ মানুষের মতে মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্ত ২০২২-র বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে, কৃষি আইন নিয়ে চলা আগামী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ৫৫ শতাংশের বেশি মানুষের মতে, সরকারের এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে। অন্যদিকে প্রায় ৩১ শতাংশ মানুষের মতে, নির্বাচনে এর কোনও প্রভাব পড়বে না।