Press "Enter" to skip to content

কৃষ্ণ ভক্তিতে মগ্ন হয়ে অস্ট্রেলিয়ার বানিয়েছেন ‘মিনি বৃন্দাবন’, এই মহিলার ভূয়সী প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

[ad_1]

নয়া দিল্লিঃ  প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) রবিবার নিজের মন কি বাত অনুষ্ঠানে জগৎ তারিণী দাসী (Jagat Tarini Dasi) নামের এক কৃষ্ণ ভক্ত মহিলার কথা উল্লেখ করেন। জগৎ তারিণী দাসীকে অস্ট্রেলিয়ার (Australia) রাধা বলেও জানা যায়। জগত তারিণী দাসী মূল রূপে অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা, কিন্তু তিনি ভারতে আসার পর হিন্দু ধর্মের প্রতি ওনার আস্থা বেড়ে যায় আর উনি ভারতের পরম্পরা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যর প্রেমে পড়ে অনন্য শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত হয়ে যান।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রবিবার বলেন, ‘পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় পার্থ নামের একটি শহর হয়েছে। ক্রিকেট প্রেমীরা এই নামটা অনেকবার শুনেছেন, কারণ এখানে প্রায়শই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজিত হয়। পার্থে ‘Sacred India Gallery’ নামের একটি আর্ট গ্যালারি রয়েছে। এটা অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা জগৎ তারিণী দেবীর প্রচেষ্টার ফল। উনি অস্ট্রেলিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু উনি ১৩ বছরেরও বেশি সময় বৃন্দাবনে কাটিয়েছেন।”

https://platform.twitter.com/widgets.js

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উনি অস্ট্রেলিয়ার ফিরে গিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু তারপরেও তিনি বৃন্দাবনকে ভুলে যান নি। আর এই কারণে তিনি বৃন্দাবন এবং তাঁর আধ্যাত্মিক ভাবের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য সুদূর অস্ট্রেলিয়াতেই একটি বৃন্দাবন গড়েছেন। যারা অস্ট্রেলিয়ার বৃন্দাবনে যান, তাঁরা সেখানে বিভিন্ন শিল্পকলা দেখার সুযোগ পান। তাঁরা ভারতের সবচেয়ে বিখ্যাত তীর্থস্থান বৃন্দাবন, নবদ্বীপ এবং জগন্নাথপুরীর ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ঝলক দেখতে পান সেখানে।”

https://platform.twitter.com/widgets.js

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জগৎ তারিণী দাসীর এই প্রয়াসের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। মেলবোর্নে জন্ম জগৎ তারিণী দাসী ভারতে এসে ১৩ বছর বৃন্দাবনে কাটিয়েছেন। এখানে এসেই ওনার জীবন বদলে যায়। ২১ বছর বয়সে তিনি থিয়েটার আর অভিনয়ের ইচ্ছায় সিডনি যান। আর ১৯৭০ সালে তিনি উত্তর প্রদেশে মথুরার বৃন্দাবনকে নিজের ঠিকানা বানিয়ে নেন। সেখানকার মানুষ আর সংস্কৃতির সঙ্গে তিনি ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে পড়েন। এরপর তিনি ইস্কনের সদস্যও হয়ে যান।

https://platform.twitter.com/widgets.js

১৯৯৬ সালে তিনি বৃন্দাবনকে তিনি মনের ভিতরে রেখে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান। ভারত আসার আগে তিনি অন্য অনেক দেশের ভ্রমণ করেছিলেন। ওনারই এক বন্ধু মৃত্যুর আগে ওনাকে একটি ছোট কৃষ্ণ মূর্তি দিয়েছিলেন। এরপর উনি আর্ট গ্যালারি বানানোর সিদ্ধান্ত নেন।

[ad_2]