Press "Enter" to skip to content

কেউ এগিয়ে এলো না! তালিবানকে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য পদত্যাগ রাষ্ট্রপতি আশরফ গনির


আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার পরই িওয়ালাদের দেশে তালিবান জঙ্গিদের প্রভাব বেড়েছে। রোজই তারা একের পর এক শহর, গ্রাম, বিভিন্ন প্রান্তের রাজধানীও তাদের দখলে চলে গিয়েছে। শেষমেশ জালালাবাদকেও দখল করেছে তারা। আর এরই মধ্যে আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি আশরফ গনি নিজের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। যদি ওনার ইস্তফার এখন কোনও আধিকারিক ঘোষণা হয়নি। শোনা যাচ্ছে যে, তালিবান ক্ষমতা ভাগাভাগির প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে।

আফগান মিডিয়া অনুযায়ী, আশরফ গনির জায়গায় আলি আহমেদ জালালি সরকারের নয়া প্রধান হতে চলেছে। জালালি জার্মানিতে আফগানিস্তানের রাজদূত ছিলেন। এর আগে শোনা যাচ্ছিল যে, তালিবান রাজধানী কাবুলের দরজায় পৌঁছে গিয়েছে দেশের কার্যকারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এর আগেই বলেছিলেন যে, তালিবানদের শান্তিপূর্ণ ভাবে দেশের ক্ষমতা দেওয়া হবে। এরপর থেকেই সরকার ভাঙার জল্পনা আরও তীব্র হয়েছিল।

জালালাবাদে তালিবানের কবজার পর কাবুলের সঙ্গে আফগানিস্তানের পূর্ব অঞ্চলের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য প্রধান শহরে কবজা করার পর কাবুল সবার থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছে। এর আগে আফগানিস্তানের চতুর্থ সবথেকে বড় শহর -এ-শরীফে শনিবার কবজা করেছিল তালিা।

তালিবানদের তরফ থেকে কিছু ছবি জারি করা হয়েছে, যেখানে জালালাবাদের কার্যালয়ে তাঁদের দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে ওই প্রান্তের সাংসদ আবরারুল্লাহ জানিয়েছেন যে, আফগানিস্তানের একটি প্রধান শহরে কবজা জমিয়েছে তালিবানরা, যা সরকারের কাছে একটি বড়সড় ঝটকা।

গত সপ্তাহ থেকেই তালিবান আরও আক্রমণাত্বক হয়ে উঠেছে। তাঁরা দ্রুত গতিতে আফগানিস্তানের প্রান্তীয় রাজধানীগুলিতে কবজা করছে। জালালাবাদ সেই ক্রমে ১৯ তম স্থানে রয়েছে। এর আগে গজনী, হেরাত, কান্দাহার, হেমন্দ সহ ১৮টি রাজধানীতে কবজা করেছিল তালিবানরা।