Press "Enter" to skip to content

গণতন্ত্রের প্রশ্নই নেই, আফগানিস্তানে চলবে শুধু শরিয়ত আইন! জানিয়ে দিল তালিবান


নয়া  রবিবার কাবুলিওয়ালাদের দেশে সম্পূর্ণ ভাবে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে তালিবানি জঙ্গি সংগঠন। যদিও, এখনও তাঁরা সরকার গড়তে পারেনি। অন্যদিকে, ের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি নিজেকে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে উপ-রাষ্ট্রপতি দেশের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিতে পারেন।

নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণার পর সালেহ তালিবানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছেন। ইতিমধ্যে সালেহর সেনা তালিবানদের থেকে একটি অঞ্চল দখল মুক্ত করেছে। আফগান সেনা সূত্রের খবর অনুযায়ী, সালেহর আর্মিতে ১০ হাজার সেনা রয়েছে, যারা তালিবানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত।

অন্যদিকে, তালিবান নিজেদের হাতে ক্ষমতা নেওয়ার পর দেশের মহিলাদের জন্য কড়া আইন লাগু করেছে। তালিবানের নিয়ম মতে, মহিলারা একা রাস্তায় বের হতে পারবেন না। তাঁরা টাইট জামাকাপড় পরতে পারবেন না। হা-হিল জুতো নিষিদ্ধ মহিলাদের জন্য। পাশাপাশি মেয়েদের ে গান, খেলাও নিষিদ্ধ করেছে তালিা। গতকাল এক আফগান রাস্তায় বোরখা পরে না বের হওয়ায় তাঁকে তালিবান জঙ্গিরা হত্যা করেছে বলেও জানা গিয়েছে। আর এতকিছুর মধ্যে তালিবানি এক নেতা বড় ঘোষণা করেছে।

তালিবানি নেতা ওয়াহেদুল্লাহ হাশিমি বলেছে, আফগানিস্তানে কোনও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা থাকবে না। কারণ এখানে গণতন্ত্রের কোনও অস্তিত্ব নেই। হাশিমি জানিয়েছে, তালিবানকে এটা বলার দরকার নেই যে আফগানিস্তানে শাসন কেমন হবে। কারণ এটা একদম পরিষ্কার যে এখানে শুধু শরিয়ত আইনই চলবে।