Press "Enter" to skip to content

গোপন বৈঠকের কথা প্রকাশ্যে আসায় সৌগত রায়কে কড়া বার্তা ক্ষুব্ধ শুভেন্দুর


কলকাতাঃ গতকাল রাজ্যের প্রাক্তন পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সাথে (All India Trinamool ) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (), স্ট্র্যাটেজিক প্রশান্ত কিশোর, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় () ও তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে কলকাতায় প্রায় দু ঘণ্টা বৈঠক হয়। বৈঠকের শেষে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় জানান যে, শুভেন্দু অধিকারীর সাথে তাদের সমস্ত কিছুর রফা হয়ে গিয়েছে আর তিনি তৃণমূলেই থাকবেন। যদিও বৈঠক নিয়ে তখনই মুখ খোলেন নি শুভেন্দু অধিকারী।

আজ এই বৈঠক নিয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে প্রথম প্রতিক্রিয়া দেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সৌগত রায়কে হোয়াটসঅ্যাপ করে জানিয়ে দেন যে, একসাথে কাজ করা সম্ভব নয়। শুভেন্দু অধিকারীর এই হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজের খবর সামনে আসতেই রাজ্য রাজনীতি আবারও তোলপাড় হয়ে গিয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারীর সুত্র অনুযায়ী, গতকালের বৈঠকে যে প্রশান্ত কিশোর আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকবেন সেটা জানতেনই না তিনি। সৌগত রায় আর সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে বৈথক শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই আচমকাই ঢুকে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর প্রশান্ত কিশোর।

এরপর সৌগত রায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে শুভেন্দু অধিকারীর সাথে কথা বলিয়ে দেন বলে সুত্রের খবর। দুজনের মধ্যে ফোনে সৌজন্যমূলক কথাবার্তা হয়। এর বেশি বৈঠকে আর একটিও কথা বলেন নি প্রাক্তন পরিবহণ মন্ত্রী।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, শুভেন্দু অধিকারীর কিছু না বলা স্বত্বেও সংবাদমাধ্যমে প্রচার হয়েছে যে সমস্ত ভুল বোঝাবুঝি মিটে গিয়েছে আর তিনি তৃণমূলেই আছেন। সংবাদ মাধ্যমে এই খবর চাউর হওয়ার পর অসন্তুষ্ট হন শুভেন্দু বাবু। এরপর তিনি ব্যাক্তিগত ভাবে সৌগত রায়কে জানিয়ে দেন যে, একসাথে কাজ করা আর সম্ভব না। সুত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, দলের কাছে নির্দিষ্ট কিছু চাহিদা ছিল ওনার, কিন্তু সেসবের সমাধান করার আগেই চারিদিকে প্রচার হয়ে গিয়েছে যে, ওনার সাথে দলের সমস্ত ব্যবধান মিটে গিয়েছে।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, শুভেন্দু অধিকারী সৌগত রায়কে এও বলেছেন যে, আমাকে অনৈতিক ভাবে বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। এমনকি বৈঠকের খবর বাইরে আসার পর বেশ ক্ষুব্ধ তিনি।