Press "Enter" to skip to content

গ্রুমিং জিহাদের শিকার মেয়ে! আদালতের দ্বারস্থ অসহায় বাবা মা

লাভ ের পাশাপাশি বর্তমান হিন্দুদের কাছে আরেকটি জ্বলন্ত সমস্যা গ্রুমিং জিহাদ। এক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে নারীকে প্রলুব্ধ করে ফাঁসানো হয়। পরবর্তীকালে চলে নানারকম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় গ্রুমিং জিহাদের অন্তিম পরিণতি মৃত্যু। গত শুক্রবার (৯ জুলাই), ভারতের সর্বোচ্চ সুপ্রিম কোর্ট ওড়িশা, ও কাশ্মীর এবং চণ্ডীগড় প্রশাসনের জন্য বলবত জিহাদ সংক্রান্ত একটি মামলায় নোটিশ জারি করেছে।

কবিতা ও কেদারনাথ নামে এক ওড়িয়া দম্পতি শীর্ষ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে। দম্পতির অভিযোগ, যে তাদের মেয়ে একটি মুসলিম ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ের পরে নিখোঁজ হয়েছে। দম্পতির আরও অভিযোগ, তাদের মেয়ে ওড়িশার বেহরামপুরের বিফর্মার ছাত্রী ছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে ওই কলেজেই পরিচয় হয়। মুসলিম ব্যক্তিটি জম্মু ও কাশ্মীরের বান্দিপোরার িন্দা। ভুক্তভোগী মেয়েটি ও অভিযুক্ত ছেলেটি প্রথমে লখনউতে চলে যায়, তারপর বান্দিপোরা থেকে বেপাত্তা হয়ে যায়।

এই দম্পতি আরও অভিযোগ করেছেন, যে এই দুজনে চন্ডীগড়ে বিয়ে করেছে। তারা আদালতে বলেছিল, যে তারা আন্তঃধর্মীয় বিবাহের বিরোধী ছিল না। কিন্তু ওই দম্পতি ভয় পেয়েছিলেন, যে তাদের মেয়েকে জোর করে বিয়েতে বাধ্য করেছিল অভিযুক্ত, এই বিয়েটি একটি সাজানো গ্যাংয়ের অংশ ছিল। আবেদনকারীরা দাবি করেছেন, যে মেয়েটির স্বামী একটি সিন্ডিকেটের অংশ ছিল যারা ‘হিন্দু মেয়েদের প্রাণ নিয়ে খেলা করে।’ তারা তাদের মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে চণ্ডীগড়ে গিয়েছিল তবে তা শেষ পর্যন্ত বৃথা হয়।

ওই দম্পতি দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন, অভিযুক্ত ওই মুসলিম ব্যক্তি এবং আমাদের মেয়ে তাদের সুরক্ষার জন্য এবং হরিয়ানা ে আবেদন করে। যদিও পরে সেই আবেদন প্রত্যাহার করা হয় এবং দম্পতি অদৃশ্য হয়ে যায়। তারা আরও জানান, ওদের সঙ্গে কোনোভাবেই যোগাযোগ সম্ভব হয়নি এবং আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, তারা দুজনে অবৈধ কাজে লিপ্ত হতে পারে। তাদের মেয়ের ফোন বন্ধ রয়েছে ও তার খোঁজ পাওয়া যায়নি।

গ্রুমিং জিহাদ সংক্রান্ত এই মামলার শুনানি শুরু করেছেন বিচারপতি ইউইউ ললিত, অজয় ​​রাস্তোগি এবং অনিরুদ্ধ বোস-এর তিন-বিচারপতি বেঞ্চ। আদালত ওডিশা, জম্মু ও কাশ্মীর এবং চন্ডীগড় প্রশাসনকে ২৩ শে জুলাইয়ের মধ্যে তাদের প্রতিক্রিয়া (পাল্টা-হলফনামা) দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছে।