Press "Enter" to skip to content

গ্রেফতার মৃত কিশোরীর বাবা ও দুই দাদা! ফিরোজ আলীর পরিবার দায়ের করেছে অভিযোগ


ে এক বিজেপির নেতার ১৬ বছর বয়সী বোনকে ধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ ছিল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে যুক্ত থাকা এক ব্যাক্তর বিরুদ্ধে। ফিরোজ আলী নামে এক ব্যাক্তি বিজেপির নেতার বোনকে অপহরণের পর খুন ও ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ সামনে এসেছিল।

তবে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠলেও পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ অন্য কথা জানিয়েছে। ধর্ষণ করে খুন নয় বরং মেয়েটির দেহে বিষের প্রভাব পাওয়া গেছে। শরীরে কোথাও আঘাতের চিন্হ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ এই তথ্য জানিয়েছিল।

বঙ্গবিজেপি ঘটনা প্রসঙ্গে মমতা ব্যানার্জীর উপর প্রশ্নঃ তুলেছে। বঙ্গবিজেপির টুইটার হ্যান্ডেল থেকে বলা হয়েছে, রাজ্যসরকার যা একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী দ্বারা পরিচালিত তারা একটি মেয়েকে রক্ষা করতে পারে না। মেয়েটির অসহায় পরিবার জানিয়েছে, রবিবার কিছু অপরাধ মানসিকতার উপদ্রবীরা তাদের মেয়েকে অপহরণ করেছিল।

তবে এই ঘটনার উপর এখন নতুন মোড় তৈরি হয়েছে। চোপড়াকান্ড নিয়ে রবিবার রাজ্য উত্তাল থাকার পর সোমবার দিন এক পুকুর থেকে অভিযুক্ত ফিরোজ আলীর শবদেহ পাওয়া যায়। যে স্থানে যুবতীকে পাওয়া গেছিল সেখান থেকে ৫০ মিটার দূরে এক পুকুরে ফিরোজ আলীর দেহ পাওয়া যায়। এরপর ফিরোজ আলীর পরিবার মৃত কিশোরীর পরিবারের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করে।

যারপর পুলিশ মৃত কিশোরীর পরিবারের সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য মাঠে নেমে পড়ে। ফিরোজ আলীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মৃত কিশোরীর বাবা ও দুই দাদাকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছেন যে মৃত কিশোরীর পরিবার ফিরোজ আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিল। এখন ফিরোজ আলীর মৃত্যুর পর ফিরোজের পরিবার মৃত কিশোরী পরিবারের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে। সেই ভিত্তিতেই তদন্ত করা হচ্ছে।