Press "Enter" to skip to content

ঘুচবে চীনের চালাকি, এপ্রিলের মধ্যেই কাজ শুরু করে দেবে ভারতের ‘ব্রহ্মাস্ত্র’

[ad_1]

নয়া দিল্লিঃ পাকিস্তান ও চীন সীমান্তে বিপদের মধ্যেই ভারতের শক্তি বাড়তে চলেছে। হ্যাঁ S-400 সিস্টেম যা ভারতের ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা পরের বছর অর্থাৎ 2023 সাল নাগাদ সম্পূর্ণরূপে চালু হয়ে যাবে। S400-র প্রথম ইউনিট এই বছরের এপ্রিলের মধ্যে মোতায়েন করা হবে এবং বাকি 4টি আগামী বছরের মধ্যে চালু হবে। ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র এবং এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের ক্ষমতা কতটা বাড়বে তা এটা থেকেও অনুমান করা যায় যে, এই শক্তিশালী সিস্টেম 40 কিলোমিটার থেকে 400 কিলোমিটার দূর থাকা শত্রুর বিমান বা মিসাইল ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত উন্নত সারফেস থেকে এয়ার মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করার কাজ শুরু করে দিয়েছে। এপ্রিলের মধ্যে প্রথম ইউনিট কাজ শুরু করবে। তবে এই গোটা প্রকল্প নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে কেন্দ্র। এই বিষয়ে অভিজ্ঞ মহল জানিয়েছে যে, চীনের পক্ষ থেকে যে কোনও সম্ভাব্য হুমকি বা আক্রমণ মোকাবেলায় পাঁচটি ইউনিটই মোতায়েন করা হবে।

রাশিয়ার কাছ থেকে 5 বিলিয়ন ডলারের চুক্তির মাধ্যমে S-400 সিস্টেম কিনেছে ভারত। S-400-র জন্য চুক্তি হয়েছিল অক্টোবর 2018 সালে। পূর্ব লাদাখে যখন চীনের সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে এমন সময়ে ভারত তার প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করছে। 2020 সালের মে মাসে চীনা সৈন্যদের দুঃসাহসিক অভিযানের পর থেকে উভয় দেশের সেনাবাহিনী বেশ কয়েকবার মুখোমুখি হয়েছে। সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক জওয়ান ও অস্ত্র।

অন্যদিকে, চীনের কথা বললে তাঁরা ডেমচোকের এবং অরুণাচল প্রদেশের কাছে S-400 সিস্টেম মোতায়েন করেছে। তাঁরা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল অনুযায়ী তিনটি সিস্টেম স্থাপন করেছে। চীনও রাশিয়ার কাছ থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র কিনেছে। ভারতে এর মোতায়েনের সাথে সাথে চীনের সঙ্গে শক্তির ভারসাম্যও বজায় থাকবে এবং চীনও সবরকম দুঃসাহসিক অভিযান এড়াবে।

[ad_2]