Press "Enter" to skip to content

চরম বিপাকে বামেরা! জোট ইস্যুতে বড়ো ঘোষণা করলেন ISF নেতা


২০২১ সালের নির্বাচনে জোট বাঁধার পর থেকেই সংযুক্ত মোর্চার অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের মাঝেমধ্যেই সামনে আসতো। নির্বাচনে সেভাবে আসন লাভ না করতে পারলেও জোট থেকে গিয়েছে কিন্তু ভেতরের অন্তর্কলহ যে মেটেনি তা আবার একবার প্রকাশ্যে এলো।
“প্রয়োজনে ঘণ্টার মতো বাজিয়ে দিয়ে চলে যাচ্ছে!” বিতর্কিত এমন এক মন্তব্য করে আলিমুদ্দিনের চাপ বাড়িয়ে তুললেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।

বামেদের সঙ্গে জোট নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে আইএসএফ-র অন্দরে। শরিক এবং বাম-কংগ্রেস নেতাদের বেশ কিছু আলটপকা মন্তব্য অপছন্দ হওয়ায় বুধবার জোটসঙ্গী ছাড়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংযুক্ত মোর্চার একমাত্র বিধায়ক। যার ফলে জোটের ভবিষ্যত ঘিরে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।

নির্বাচন শেষ হয়েছে বেশ কয়েক মাস হল। কিন্তু তার পর থেকে এখনও পর্যন্ত বাম, কংগ্রেস ও আইএসএফ-কে কোনোরকম সংযুক্ত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। যেহেতু ভোটের ফলাফলে ব্যর্থতার কারণ হিসেবে আইএসএফ-এর সঙ্গে জোটকেই দায়ী করা হয়েছে, তাই আলিমুদ্দিন একত্রে কর্মসূচি এড়িয়ে চলছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এরই মাঝে অস্বস্তি বাড়িয়ে তুলেছে বাম শরিকদের নানা আলটপকা বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই জটিল পরিস্থিতিতে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর সঙ্গে কথা বলে পরামর্শ করার চেষ্টাও করেছিল আইএসএফ। কিন্তু তিনি টালবাহানা করে এড়িয়ে গিয়েছেন বলে দাবি। বিতর্কের আঁচ উস্কে দিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আবার বলে বসেছেন, এই জোট শুধুমাত্র নির্বাচন কেন্দ্রীক ছিল। সেই কারণেই আইএসএফ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এভাবে বেশি দিন এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, বাকি জোটসঙ্গীদের সহ্য করা সম্ভব নয়।

এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন আইএসএফ চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকি। তিনি বলেছেন, আমরা সংযুক্ত মোর্চার সঙ্গেই রয়েছি। কিন্তু মোর্চার অন্যান্য শরিকরা আমাদের সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করছে। তবে মোর্চার শর্তানুযায়ী আমরা এখনও মুখ বন্ধ করে বসে আছি। কিন্তু কতদিন পর্যন্ত চুপ থাকতে পারবো জানি না। আমরা এই বিষয়টা উপরতলায় জানিয়েছি।

আশা করছি দ্রুত সমাধান হবে। যদি ভাবনা ্তা করা হয়, যে সংযুক্ত মোর্চা ছেড়ে দিলে আমাদের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, প্রয়োজনে আমরা সেটাও করবো। কিন্তু যখন খুশি এভাবে ঘণ্টার মতো বাজিয়ে দিয়ে চলে যাবে, আমরা এটা কোনও ভাবেই মানতে পারছি না। আমরা এর তাড়াতাড়ি সমাধান চাইছি।