Press "Enter" to skip to content

চাকরিও গেল আবার গ্রেফতারও হল, পাকিস্তানের জয়ে আনন্দ করার চরম শাস্তি নফিসাকে

কলকাতাঃ পাকিস্তানের (Pakistan) জয়ে আনন্দ করা রাজস্থানের () নীরজা মোদী স্কুলের শিক্ষিকা নফিসা আটারিকে (nafeesa attari) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার ভারত (India)-পাকিস্তান ম্যাচের পর নিজের হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে বিতর্কিত দিয়ে ফেঁসে গিয়েছিলেন ওই শিক্ষিকা। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, নফিসাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। যদিও, স্ট্যাটাস ভাইরাল হওয়ার পর তিনি বলেছিলেন, আমার এমন কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। আমি ভারতের বিরোধিতা বা পাকিস্তানের সমর্থন করিনি। নফিসা বলেছিলেন, আমি শুধু মজা করার জন্য ওই স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম, নিজের ভুল বুঝতে পেরে সেটি ডিলিটও করি।

নীরজা মোদী স্কুলের শিক্ষিকা নফিসার বিরুদ্ধে উদয়পুর অম্বমাতা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। তাঁকে জাতীয় একতার বিরুদ্ধে ভাষণ দেওয়া বা একতা বিরোধী কার্যকলাপের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস ভাইরাল হওয়ার পর নীরজা মোদী স্কুল তাঁকে তৎক্ষণাৎ বহিষ্কারও করে দেয়।

ভারত পাকিস্তানের কাছে হারা মাত্রই রাজস্থানের উদয়পুরের শিক্ষিকা নাফিসা নিজের হোয়াটস অ্যাপের স্ট্যাটাসে একটি ভিডিও দিয়েছিলেন। আর সেই ভিডিও তাঁকে শাস্তির মুখে ফেলার জন্য যথেষ্ট ছিল। টিচারের ওই স্ট্যাটাস দেখে এক পড়ুয়ার বাবা জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনি পাকিস্তানের সমর্থক?” তখন শিক্ষিকা নাফিসা বুক বাজিয়ে লেখেন ‘হ্যাঁ”। এরপরই নাফিসাকে নিয়ে বড়সড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

পাকিস্তানকে সমর্থন করা ওই শিক্ষিকা স্কুল কর্তৃপক্ষ বড়সড় সাজা দেয়। স্কুল ওই শিক্ষিকাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে দেয়। স্কুল একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে পরিস্কার লিখেছে যে, ‘এই শিক্ষিকাকে তৎকালীন প্রভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।”

এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় আরও একটি হয়, যেখানে ওই শিক্ষিকাকে ক্ষমা চাইতে দেখা গিয়েছে। সেখানে শিক্ষিকা বলেন, ‘আমি মজা করার জন্য অমন বলেছিলাম। আমি ভারতীয়, আর ভারতকে ভালোি। আমি যখন আমার ভুল বুঝতে পারি, তখন স্ট্যাটাস ডিলিট করে দিই।” কিন্তু ক্ষমা চাওয়ার পরেও রেহাই পেলেন না শিক্ষিকা। এখন তাঁকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। জানা গিয়েছে তাঁকে আদালতেও চালান করা হবে।