Press "Enter" to skip to content

চাঞ্চল্যকর তথ্য – মন্দিরে একটা মেয়ের দেহ লুকানো সম্ভব নয়।

এবার কাঠুয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশেজুড়ে হিন্দু ে বদনাম করার চেষ্টা ও একই সাথে বিষয়টিকে সাম্প্রদায়িক রঙ দেওয়া শুরু হয়েছে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, কাঠুয়ার ঘটনায় CBI তদন্তের দাবি তোলা সত্ত্বেও মামলা তুলে দেওয়া হয় ের কাছে। গতকাল দেশের কিছু বড়ো মিডিয়া, ক্রাইম ব্রাঞ্চের চার্জ সিটে যেভাবে মামলাকে তোলা হয়েছে তার প্রতিবাদ জানিয়েছে। আসলে চার্জসিটে বিশেষ তিনটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিয়ে ঘটনাটিকে সাম্প্রদায়িক করার চেষ্টা করেছে।

চার্জসিটে বলা হয়েছে ধর্ষণকারী হিন্দু, আসিফা মুসলিম এবং ধর্ষণের জায়গা । জানলে অবাক হবেন স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে যে ওই মন্দিরে কাউকে ৪ দিন ধরে আটকে রেখে ধর্ষণ করা সম্ভব নয় কারণ ওই ী স্থানে পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের মানুষ এসে পুজো দেন। তারা এটাও জানিয়েছে যে প্রতিদিন ২ বার মন্দিরের পুজো হয় এবং দিনে মন্দির খোলা অবস্থায় থাকে।

এরপর ক্রাইম ব্রাঞ্চ দাবি করে, ওই মন্দিরে একটা গোপন কক্ষ রয়েছে যেখানে আটকে রাখা হয়েছিল আসিফাকে। পরে নিউজ মিডিয়া ওই স্থানে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে থেকে জানতে পারে মন্দিরে কোনো গোপন কক্ষ নেই। শুধু তাই নয় নিউজ মিডিয়া মন্দিরে গিয়েও তল্লাশি করে দেখেন সেখানে কোনো গোপন কক্ষ নেই।

স্থনীয় বাসিন্দারা আরো একটা বড়ো প্রশ্ন তুলেছে সেটা হলো মেয়েটির শরীরে যেভাবে মাটি লেগে রয়েছে তা মন্দিরে কি করে থাকতে পারে?

আপনাদের জানিয়ে রাখি যে ি কার্যকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার বাড়ি মন্দিরের সামনেই এবং আসিফার লাশ উনার বাড়ির সামনে থেকেই পাওয়া গেছে। কিন্তু স্থানীয়দের প্রশ্ন ,যে হত্যা ও ধর্ষণ করবে সে কি করে তার নিজের বাড়ির সামনেই মৃতদেহ ফেলে রাখতে পারে।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.