Press "Enter" to skip to content

চীনকে খুশি করতে বড়ো পদক্ষেপ তালিবানের! আফগানিস্তানের একাধিক এলাকায় থাকবে চীনের আধিপত্য


আফগানিস্তান তালিবানদের দখলে আসার পর থেকে পট ের পালা চলেছে। আফগানিস্তানে তালিবান শাসনকে সমর্থন জুগিয়ে নিজেদের আখের গোছাতে মাঠে নেমেছে । এদিকে চীনকে খুশি করতে একের পর এক বড়ো ঘোষণা করেছে তালিবান। সূত্রের , আফগানিস্তানের বাগ্ বিমানঘাঁটি সহ একাধিক বিমান ঘাঁটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আনতে চাইছে বেজিং। এর পাশাপাশি তালিবান এও ঘোষণা করেছে যে তারা চীনের CPEC প্রজেক্টের অংশ হবে। চীনকে আসল বন্ধ ঘোষণা করে এই বার্তা দিয়েছে তালিবান।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর অর্থনৈতিক অনুপস্থিতির শূন্যতা পূরণের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাবে বেজিং। এই মুহুর্তে বেল্ট অ্যান্ড রোড বা বিআরআই প্রকল্পের প্রস্তাব দিলে তা না মেনে নেওয়ার কোনও কারণ‌ই নেই তালিবানদের। এত সবকিছুর বদলে আফগানিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাগ্রাম বিমানবন্দরটি পরিচালনার অধিকার দাবি করেছে চিন। এটি এমন একটি বিমান বন্দর যেখানে তালিবানদেরও বিমান ঘাঁটি পরিচালনার জন্য নিজেদের কাছের কাউকে প্রয়োজন। তাই চীনের এই প্রস্তাবে দ্বিরুক্তি করার কথা নয়।

বাগ্রাম বিমানবন্দর আফগানিস্তানের সবচেয়ে বৃহত্তম বিমানবন্দর এবং প্রযুক্তিগতভাবেও সুসজ্জিত বিমানবন্দর। কাবুল বিমানবন্দরে কোনোরকম অসুবিধা দেখা দিলে পরিবর্ত হিসেবে বাগ্রামকে শেষ পর্যন্ত ব্যবহারের জন্য ভেবে রেখেছিল মার্কিন বাহিনী। এই মুহুর্তে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য আফগানিস্তানে বেজিং-র অর্থনৈতিক হাত শক্ত করার জন্য চীনের একটি নিরাপদ বিমান ঘাঁটি প্রয়োজন।

সেইজন্য চীন বাগ্রাম ঘাটিকে ব্যবহার করতে পারে। এই সবকিছুর মূলে হচ্ছে ভারতকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে দূরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা। এই এলাকায় চীন নিজের অধিকার কায়েম করে রাখতে চায়। অন্যদিকে আবার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং অস্ট্িয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জোট বেঁধে ভারত ওই অঞ্চলে বাণিজ্য পরিচালনার জন্য মুক্ত রাখতে চায়।