Press "Enter" to skip to content

চীনকে ‘প্রকৃত বন্ধু’ বলে ঘোষণা তালিবানের! সমর্থনে এগিয়ে এল পাকিস্তান


আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর পাশে রয়েছে ‘বিশেষ বন্ধু’ । এদিকে চীন আফগান-মুলুকে বিনিয়োগের জন্য বিশেষ বড় আগ্রহ প্রকাশ করছে। অন্যদিকে গোটা বিশ্বকে আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আহ্বান জানাচ্ছে চীন। তাদের এরকম সহৃদয় আচরণে ‘মুগ্ধ’ তালিবান। তালিবান স্পষ্টতই বলেছে, “চীন-ই আমাদের প্রকৃত বন্ধু।”

তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদিন বলেছেন, চীনই আমাদের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী এবং প্রকৃত বন্ধু। ওরা আফগানিস্তানে বিনিয়োগ করতে উদ্। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিকে পুনর্গঠন করতে আগ্রহী চীন।আফগানিস্তানে রয়েছে বিপুল পরিমাণ তামার খনি। সেই খনিকে বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করার উদ্দেশ্য চীনের। পাশাপাশি চীনকে কাজে লাগিয়ে গোটা বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চাইছে তালিবানও।

আফগানিস্তানের ওপর দ্রুত নিয়ন্ত্রণ দখলের জন্য তালিবান এখন চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের (সিপিইসি) অংশ হতে বিশেষ আগ্রহ দেখিয়েছে। তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সোমবার বলেছে, যে তারা চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্ে যোগদান করতে বিশেষ “আগ্রহী”।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ আহমেদ বলেছেন, “চীন সম্পর্কে তালিবানের মনোভাব যদি পাকিস্তানের মত হয় তবে অত্যন্ত ভালো।” তিনি আরও বলেছেন, “পাকিস্তান চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য গর্বিত এবং যদি তালিবান একই মত পোষণ করে, তাহলে এটা অত্যন্ত ভালো হয়।” শনিবার, তালিবানের পক্ষ থেকে চীনকে তাদের “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার” হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

তালিবান আশাবাদী যে বেজিং আফগানিস্তান পুনর্নির্মাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং অর্থনৈতিক পতনের হাত থেকে বাঁচাতে সাহায্য করবে।শনিবার, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াংই পাকিস্তানি এবং ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথাবার্তা বলার সময় বলেন, যে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে একটি সরকার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত। ইরান ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একমত হয়েছেন যে আফগানিস্তানে সব উপজাতি গোষ্ঠীর অংশগ্রহণে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।