Press "Enter" to skip to content

চীনাদের গিনিপিগ বানাল জিনপিং, ট্রায়াল ছাড়াই ১০ হাজার নাগরিকের উপর ভ্যাকসিনের প্রয়োগ


নয়া দিল্লীঃ ের () অমানবিক চেহারা আবারও সবার সামনে এলো। ে হাজার হাজার মানুষদের জোর করে করোনার টিকা () দেওয়া হচ্ছে, এই টিকা এখনো পর্যন্ত সমস্ত ট্রায়াল সম্পূর্ণ করেনি আর ডাক্তাররাও ওই টিকাকে সুরক্ষিত ঘোষণা করেছি। এর থেকে এটা স্পষ্ট যে, চীনের কমিউনিস্ট সরকার জেনেবুঝে দেশের মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

সরকারি কোম্পানির অফিসার-কর্মচারী, শ্রমিক, ভ্যাকসিন কোম্পানির কর্মী, শিক্ষক, সুপারমার্কেট স্টাফদের এই টিকা জোর করে দেওয়া হচ্ছে। সবথেকে বেশি অবাক করা কথা হল, চীনের এই ভ্যাকসিনকে ওই দেশের ডাক্তাররাই এখনো সুরক্ষিত ঘোষণা করেনি। কিন্তু এরপরেও তাড়াহুড়ো করে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষের শরীরে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে।

নিয় ইউর্ক টাইমস এর রিপোর্ট অনুযায়ী, চীনের আধিকারিকরা প্রচুর সংখ্যক মানুষের উপর এই করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মারডোক চিলড্রেন রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ কিম বলেছেন যে, চীনের এই প্রয়োগ খুব বিপদজনক রুপ নিতে পারে। যাদের উপর এই প্রয়োগ করা হচ্ছে, তাঁদের জীবন আর ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা হচ্ছে আমার।

চীনের কোম্পানি যাদের উপর এই অসুরক্ষিত ভ্যাকসিনের প্রয়োগ করছে, তাঁদের সাথে একটি ব-আইনি চুক্তিও করে নিয়েছে। আর সেই চুক্তি অনুযায়ী, তাঁরা মিডিয়ার সামনে এই ভ্যাকসিন আর প্রয়োগ নিয়ে মুখ খুলতে পারবে না। যদিও এখনো স্পষ্ট হয়নি যে চীনে ঠিক কতজনের উপর এই ভ্যাকসিনের প্রয়োগ করা হয়েছে। বেজিংয়ের কোম্পানি সিনোভ্যাক অনুযায়ী, বেজিংয়ে ১০ হাজারের বেশি মানুষের উপর এই ভ্যাকসিনের ইনজেকশন লাগানো হয়েছে। কোম্পানি এই দাবি করেছে যে, তাঁদের ৩ হাজার কর্মী আর কর্মীর পরিজনদের উপর এই ভ্যাকসিনের প্রয়োগ করা হয়েছে।