Press "Enter" to skip to content

চীনের শত্রুর সাথে হাত মেলাল ভারত! ভারতে আসছে ৫৬,০০০ কোটি টাকার ইনভেস্টমেন্ট

[ad_1]

আগামী কুড়ি পঁচিশ বছরের মধ্যে পুরো বিশ্ব ভারতকে ম্যানুফ্যাকচারিং হাব তথা বিকল্প হিসেবে দেখতে চাইছে। আর এই পরিপ্রেক্ষিতে ভারত চীনের শত্রুদেশ তাইওয়ানের সাথে মিলিত হয়ে বড়ো চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এতদিন চীন একতরফাভাবে তাইওয়ানের ওপর নিজের অধিকার কায়েম করতে চাইতো। জাপান ও আমেরিকা প্রতিক্ষেত্রে তাইওয়ানের পাশে দাঁড়িয়ে চীনকে রুখে দিয়েছে। এবার সেই তালিকায় যোগ হল ভারতের নাম।

চীনের শত্রুর সাথে হাত মেলাল ভারত

সম্প্রতি তাইওয়ান ও ভারত সেমি কনডাক্টরের বিশ্বব্যাপী চাহিদা মাথায় রেখে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা করেছে। এই সেমি কনডাক্টর চিপ উৎপাদনে তাইওয়ান বিশ্বের এক নম্বর দেশ। সেই সাথে চীনের বড়ো হিসেবে পরিচিত তাইওয়ান। সেহেতু চীনকে দু-তরফা ঝটকা দিতে ভারত তাইওয়ানের সাথে ব্যবসায়িক চুক্তিতে নেমেছে। এই চুক্তি অনুযায়ী সেমিকন্ডাক্টর নির্মাণের জন্য ভারতে আনুমানিক 7.5 বিলিয়ন ডলার (৫৬,০০০ কোটি) ইনভেস্ট আসতে চলেছে। আন্তর্জাতিক মহলে সেমিকন্ডাক্টরের মার্কেট অনেক বড়ো। এক্ষত্রে সেই মার্কেটকে পুরো কবজানোর চেষ্টায় রয়েছে চীন। যদিও এখনও অবধি সেমিকন্ডাক্টরের

সেমিকন্ডাক্টর কী?

সেমিকন্ডাক্টরগুলির মধ্যে কন্ডাক্টরে যেমন ধাতব তামা এবং ইনসুলেটরে কাচের মতো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলি সাধারণত সিলিকন দিয়ে তৈরি হয় এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন গাড়ি, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন থেকে শুরু করে এভিয়েশন সেক্টরেও ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে সেমিকন্ডাক্টর এর প্রয়োজনীয়তা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে এর উৎপাদন বন্ধ হলে পুরো বিশ্ব অন্ধকারে ডুবে যেতে পারে।

কেন সেমিকন্ডাক্টরের অভাব?

কোভিড -১৯ মহামারী শুরুর পর থেকে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো চিপের অভাবের কথা জানিয়েছে। ২০২৩ সালের মধ্যে শীঘ্রই পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে না। তাদের অভাব সরাসরি ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিক্রিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
আরেকটি প্রধান কারণ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে সম্পর্কের চিঁড়।

[ad_2]