জনআক্রোশ সভার সত্যতা মানুষের কাছে তুলে ধরাই সাংবাদিকদের মারধর করলো রাহুল গান্ধীর দল।

দেশের প্রধানবিরোধী পার্টি কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী এবং তার দল বর্তমানে মিথ্যাপ্রচারে পারদর্শী হয়ে উঠেছে। রাহুল গান্ধী তার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নপূরণ করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। আর সেইকারণে রাহুল গান্ধী মোদী বিরোধী প্রচার শুরু করেদিয়েছে। সম্প্রতি রাহুল গান্ধী মোদী বিরোধী প্রচার করার জন্য “জনআক্রোশ রালি” এর আয়োজন করেছিলেন। আসলে রাহুল গান্ধীর বক্তব্য ছিল দেশের গণতন্ত্র শেষ করে দিচ্ছে মোদী সরকার। কিন্তু অবাক করার বিষয় এই যে রাহুল গান্ধীর এই জনআক্রোশ সভায় এমন কিছু ঘটলো যা উল্টে রাহুল গান্ধীর উপর প্রশ্ন তুলেদিয়েছে।

জানলে অবাক হবেন, রাহুল গান্ধী দাবি করেছিলেন তার সভায় প্রচুর জনসমাগম ঘটবে। তিনি এটাও বলেছিলেন, জনআক্রোশ রালি সভায় মানুষ ধরে রাখা যাবে না। কংগ্রেস দাবি করেছিল কমপক্ষে ৩ লক্ষ সাধারণ মানুষ এই জনআক্রোশ রালিতে আসবেন। কিন্তু হাস্যকর বিষয়, জনআক্রোশ সভায় সাধারণ মানুষ তো দূর কংগ্রেসের নিজের কার্যকর্তারাই সকলে আসেননি। স্টেজের সামনে যে আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল তার ৮৫ শতাংশ ছিল খালি। কংগ্রেস যেসব কার্যকর্তারা উপস্থিত ছিলেন তারাও পর্যন্ত রাহুল গান্ধীর ভাষণ শুরু হওয়ার পর আসন ছেড়ে ঘুরে বেড়াতে শুরু করে ।

শুধু তাই নয় রাহুল গান্ধীর দাবি ছিল মোদী সরকার গণতন্ত্র শেষ করে দিচ্ছেন। মানুষের খুলে কথা বলার অধিকার কেড়ে নিচ্ছেন। কিন্তু জনআক্রোশ রালিতে রাহুল গান্ধীর দল সাংবাদিকদের অধিকার কেড়ে নিতে শুরু করে। আসলে সাংবাদিকরা ওই সভায় পৌঁছে দেখতে শুরু করেন, সভার বেশিরভাগ আসন ফাঁকা পড়ে রয়েছে। এই বিষয়টি রাহুলগান্ধির সাথীদের মোটেও সহনশীল হয়নি জাট জন্য তারা সাংবাদিকদের বিরক্ত করতে শুরু করে এবং ক্যামেরা কেড়ে মারধর করার চেষ্টা করে। অর্থাৎ যারা গণতন্ত্র শেষ হয়েযাচ্ছে বলে সভার আয়োজন করেছিল তারাই সাংবাদিকদের অধিকার কেড়ে নিয়ে গুন্ডামি শুরু করে।

এই সভা কংগ্রেসের হলেও , ৪৮ মিনিট সময়ের মধ্যে গান্ধী পরিবার ৫০ বারের বেশি শুধু মোদীর নাম ব্যবহার করেছেন। অর্থাৎ কংগ্রেস দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নয় বরং দেশকে শেষ করে, মোদী সরকারকে সরিয়ে নিজেদের পরিবার তন্ত্রকে সরকারে আনার জন্যই এই সভার আয়োজন করেছিল।

Leave a Reply

you're currently offline

Open

Close