Press "Enter" to skip to content

জলের তলায় ময়নার দুই গ্রাম, প্রায় ন’শো মানুষের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করলেন দিন্দা! হচ্ছে প্রশংসা


ময়নাঃ ক্রিকেট ছেড়ে রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন পেসার অশোক দিন্দা (Ashoke Dinda)। প্রিয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) হাত ধরে তিনি বিজেপিতে দিয়েছিলেন তিনি। রাজনীতির ময়দানে নেমে মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন অশোক। এবার একুশের নির্বাচনে তাঁর উপর ভরসা রেখে তাঁকে ময়না বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করে বিজেপি। মানুষের ভালোবাসা আর কাজ করার ইচ্ছে নিয়ে এবারের নির্বাচনে জয়লাভ করেন অশোক দিন্দা।

দিকে দিকে যখন হেভিওয়েট প্রার্থীরা একের পর এক পরাজয়ের মুখে পড়ছিলেন, তখন আশার আলো হয়ে উঠে আসেন অশোক। কাউন্টিং শেষে অশোক দিন্দাকে জয়ী হিসেবে ঘোষণা করার পর বেঁকে বসেন তৃণমূল প্রার্থী। এরপর আবারও কাউন্টিং হয়। রিকাউন্টিংয়ে অশোক দিন্দা আরও বেশি ভোট নিয়ে জয়ী ঘোষিত হন। জয়ী হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেন তিনি।

গত বুধবার বাংলায় আছড়ে পড়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। আর এই ঘূর্ণিঝড় আসার আগে থেকেই এলাকার মানুষকে সুরক্ষিত করার কাজ করেন প্রাক্তন ভারতীয় পেসার। ঘূর্ণিঝড়েরর পর বৃষ্টির মধ্যে ছাতা নিয়ে গিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতেও দেখা যায় তাঁকে। যখন খেলোয়াড় ছিলেন, তখন পূর্ব মেদিনীপুরের বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অশোক। আর এবার বিধায়ক হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন তিনি।

https://platform.twitter.com/widgets.js

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আর ভরা কোটালের ফলে ময়না বিধানসভার অন্তর্গত একাধিক গ্রামে জল ঢুকে যায়। সেই সময় বৃষ্টি মাথায় করে রেনকোট নাহলে ছাতা নিয়ে মানুষের উদ্ধারকাজে হাত লাগান অশোক। জলের তোড়ে ঘরবাড়ি ভেসে যাওয়া মানুষদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান বিজেপির বিধায়ক। অশোক জানান, ঘূর্ণিঝড়ে তাঁর এলাকায় তেমন ক্ষতি না হলেও ভরা কোটালে ঢেউভাঙ্গা আর চাঁদবেনিয়া গ্রামে জল ঢুকে পুরো ভাসিয়ে দেয়।

https://platform.twitter.com/widgets.js

অশোকবাবু জানান, ‘ইয়াস আসার দু’দিন আগে ২৪ তারিখ কলকাতা থেকে ময়না পৌঁছে যাই। সেখানে ঘূর্ণিঝড়ে কি ক্ষতি হতে পারে আর কীভাবে সেগুলোকে সামলানো যায়, সেই নিয়ে একাধিক বৈঠক করি। এলাকার বেশীরভাগ মানুষ আর্থিক দিক থেকে দুর্বল আর তাঁদের বাড়িঘরও কাঁচা সেটাই ছিল সবথেকে বড় সমস্যা। আর এই কারণে সবাইকে ত্রাণ শিবিরে নিয়ে যাওয়ার বন্দোবস্ত করি আগে। এলাকার ২১টি স্কুলে প্রায় ৯০০ জনকে নিয়ে যাই। আর সেই স্কুলগুলোতে জেনারেটরের বন্দোবস্ত করি। আর শুকনো খাবার সেখানে আগে থেকেই রেখেছিলাম”

https://platform.twitter.com/widgets.js

অশোক দিন্দা বলেন, ‘ জলের তোড়ে যাদের বাড়িঘর ভেসে গিয়েছে তাঁদের সবাইকে ত্রিপল দিয়েছি। শিশু আর মহিলাদের আগে থেকেই ত্রাণ শিবিরে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। এছাড়াও গবাদি পশুদের জন্যও সুরক্ষিত জায়গার ব্যবস্থা করে দিই। আমার পক্ষে যতটা সম্ভব হয়েছে করেছি, কারও রাজনৈতিক রঙ দেখিনি।”