Press "Enter" to skip to content

টাকার বিনিময়ে চুপি চুপি চলছিল লক্ষীভান্ডার প্রকল্পের ফর্ম বিলি! গুরুতর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে


পূর্ব : অন্ধকারে ঘুপচির মধ্যে একটি টেবিল নিয়ে বসে আছে প্রধান,ঘুপচির মাথায় ত্রিপল খাটানো। এছাড়াও রয়েছে ছোট্ট এলইডি ব্লাব আর টর্চের আলো। ঘুপচির আড়ালে চলছে কারবার। ৫০০ টাকায় চলছে দেদার লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের ফর্ম বিলি।

আরও এক দুর্নীতির চিত্র ধরা পড়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির হলদিবাড়ি অঞ্চলে। ৫০০ টাকায় লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakhsmi Bhandar) প্রকল্পের ফর্ম বিলির অভি উঠেছে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে।

সূত্রের খবর, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি বিধানসভার হলুদবাড়ি অঞ্চলে ‘দুয়ারে সরকার’-এর ক্যাম্প হওয়ার কথা রয়েছে কিন্তু রবিবার রাতের অন্ধকারে শাসক দলের অঞ্চল প্রধানের উপস্থিতিতে এক ভলেন্টিয়ারকে তত্ত্বাবধানে টাকার বিনিময়ে দুয়ারে সরকারের ফর্ম বিক্রি করছে । এই ঘটনায় অঞ্চল প্রধান তাপস প্রামাণিক ও খেজুরি থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় ভুঁইঞার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে এসেছে।

এই খবর সামনে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। খেজুরি বিধানসভার ি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক বলেছেন, আমরা গোপন সূত্রে খবর পেয়েছি রাতে অঞ্চল প্রধান তাপস প্রামাণিক এক সিভিক ভলেন্টিয়ারকে সঙ্গে নিয়ে বেশ কয়েক জন সরকারি আধিকারিকের সঙ্গে অঞ্চল অফিসে ৫০০ টাকার বিনিময়ে ফর্ম বিক্রি করছিল।

অন্যদিকে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তৃণমূলের যুব সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি বলেছেন, বিজেপির চক্রান্তে এসব হয়েছে। ওদের কাজ‌ই বিরোধিতা করা। সরকারকে কালিমালিপ্ত করার জন্য‌ই এইসব ভুয়ো খবর রটাচ্ছে। মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম বিলি নিয়ে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে প্রথম থেকেই। কোথাও ফর্ম বিলিতে দুর্নীতি, কোথাও আবার গরিব মানুষের গলায় পা দিয়ে টাকা নিয়ে চলছে ফর্ম পূরণের কাজ। এক্ষেত্রে একাধিক স্থানীয়স্তরের তৃণমূল নেতা জড়িত থাকার অভিযোগ‌ও উঠে আসছে। এর আগে এই দুর্নীতিতে সপরিবারে গ্রেফতার হয়েছেন একজন তৃণমূল নেতা। শুরু থেকেই হোঁচট খাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই প্রকল্প।