Press "Enter" to skip to content

টিকল না মুসলিম বন্ধুর সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক, অবশেষে তালাক হচ্ছে IAS টপার টিনা দাবির

বিখ্যাত আইএএস কাপল টিনা ডাবি এবং আতহার খানের বিবাহ বিচ্ছেদের কাহিনী এখন দেশের অনেকের কাছেই কম বেশি পরিচিত। ২০১৫ সালে ইউ পি এস সি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন টিনা এবং দ্বিতীয় স্থানাধিকারী ছিলেন আতহার খান। ইউপিএসসির প্রশিক্ষণ চলাকালীনই একে অপরকে ভালোেন। পরবর্তীকালে তারা এক‌ই সঙ্গে পোস্টিং পান রাজস্থানে এবং বিয়ে করবেন বলে স্থির করেন।

তাদের বাগদানের প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো সমালোচনার ঝড় ওঠে। একের পর এক স্তর পেরিয়ে উঠে আসে হিন্দু-মুসলিম ইস্যু। অনেকে বলেও সমালোচনা‌ও করেন। কিন্তু সেই সময় কোনো রকম সমালোচনাতেই কান দেননি এই যুগল। বরং নিজের বাগদানের কথা গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় টিনা পোস্ট করেন, আমি তার ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের জন্য প্রতিদিন তাকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি একজন অসাধারণ মনের মানুষ। আমরা খুব শীঘ্রই বিয়ে করতে চলেছি।

কিন্তু বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই ফের একবার সংবাদ শিরোনামে উঠে আসেন এই দম্পতি। কিছুদিন আগে হঠাৎ করেই টিনা তাঁর ইনস্টাগ্ প্রোফাইল থেকে ‘খান’ পদবী সরিয়ে দেন। তাঁকে ইনস্টাগ্রামে আনফলো করেন আতহার। জানা গিয়েছে, এরই মাঝে জয়পুরের পারিবারিক ে পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদনও করেছিলেন দুজনে। ১০ আগস্ট সেই আবেদন মঞ্জুর করে কোর্ট।

বিবাহবিচ্ছেদ ঘটলেও বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল দু’জনের। তাদের ভ্রমণের একাধিক ছবি পোস্ট হতে দেখা গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। দেশে বিদেশে আতহারের সাথে বিভিন্ন মুহূর্তে তোলা একাধিক ছবি নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করেছেন টিনা। তাজমহলের সামনেও পোজ দিয়ে ছবি তুলতে দেখা গিয়েছিল তাদের। এবং সেই ছবি নিয়েও আলোচনা হয়।

তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের কাহিনী সামনে আসার পর থেকেই অনেকেই লাভ জিহাদের প্রসঙ্গ তুলেছেন এবং টিনা ডাবি লাভ জিহাদের শিকার বলে অনেকেরই ধারণা। যদিও এ বিষয়ে এখনও টিনা বা আতহার কোন‌ও মন্তব্য করেননি।