Press "Enter" to skip to content

টিকিট না পেয়ে হো হো করে কাঁদলেন সপা নেতা জাবেদ! ভাইরাল হলো ভিডিও

[ad_1]

বিধানসভা ভোট যত সামনে আসছে উত্তরপ্রদেশে খেলা জমে উঠছে। উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট বাতিল হবার পর সমাজবাদী পার্টির নেতা জাভেদ রায়নের কান্নার একটি ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে। মানুষ এই ভিডিওটি নিয়ে মজা ওড়াচ্ছেন। এই ভিডিওতে তিনি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছেন এবং বিজনোরের মানুষকে উদ্দেশ্য করে কিছু কথা বলেছেন। জাভেদ বধপুর বিধানসভা থেকে নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানা যায়।

ভাইরাল ভিডিওতে জাভেদ রেইনকে বলতে দেখা গেছে, “আসসালাম ওয়ালেকুম বন্ধুরা। মনটা ব্যাথা করে, তিনি পুরো শহর ও জেলা জানেন, যখনই রাত হোক বা দিন গরীব, মজুরের যুদ্ধে আমি সর্বদা এগিয়ে থাকতাম। আমি কখনো কারো প্রতি অন্যায় করিনি। আপনারা জানেন আমি কতটা পরিশ্রম করেছি। জাতীয় সভানেত্রীর যে সিদ্ধান্তই হোকআমি মেনে নেব। ধন্যবাদ জানাতে না পেরে এলাকার সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। টিকিট হয়তো আমাকে দেওয়া হবে না, আপনাদের কাছ থেকে অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। আপনারা সবাই আমাকে অনেক সম্মান দিয়েছেন। হয়তো সোনাদের উপকার করা আমার ভাগ্যে ছিল না।”

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরে, জাভেদ রেইন তার ব্যাখ্যার আরেকটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ওই ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘আমি খুবই দুঃখ পেয়েছি। তাই আমাকে লাইভে আসতে হলো। আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আপনাদের অনুগ্রহ আমি কেড়ে নিতে পারব না। এই ভিডিওটি ভাইরাল করে যারা আমার দুঃখে আমাকে সমর্থন করেছেন তাদের কাছে আমি সর্বদা কৃতজ্ঞ থাকব। আমার জাতীয় সভাপতির নির্দেশ মতো কাজ করব। তারা যদি বলে স্বতন্ত্র হয়ে লড়ে দেখাও, তাহলে আমিও স্বতন্ত্রদের নির্বাচনে লড়ে দেখাবো। জনগণ আমার সঙ্গে আছে। তিনি যা আদেশ করবেন আমি তাই করব।” এই ভিডিওটি করার সময় জাভেদ লাল সমাজবাদী পার্টির ও ক্যাপ পরেছিলেন। এই ভিডিওটি 20 জানুয়ারী, (বৃহস্পতিবার) ভাইরাল হয়েছে।

https://platform.twitter.com/widgets.js

 

উল্লেখ্য, এর আগেও টিকিট না পেয়ে অনেক কান্নার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। 16 জানুয়ারি, আলিগড়ের সমাজবাদী পার্টির নেতা, আদিত্য ঠাকুর টিকিট না পাওয়ায় নিজের শরীরে পেট্রোল ছিটিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিলেন। এরপর ইউপি পুলিশ তাকে জোর করে তা করতে বাধা দেয়। একই মাসে, মুজাফফরনগরে, বিএসপি নেতা আরশাদ রানার টিকিট কেটে কাঁদার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। পশ্চিম উত্তর প্রদেশের ইনচার্জ শামসুদ্দিন রায়নের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার পরও টিকিট না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। পাশাপাশি বিচার না পেলে মায়াবতীর বাড়ির সামনে আত্মহত্যার হুমকি দেন তিনি।

[ad_2]