Press "Enter" to skip to content

তদন্ত কমিটি গঠন হতেই লাইনে এল কেজরিওয়াল সরকার! বললো- দিল্লীতে অক্সিজেনের অভাব নেই


দিল্লীতে অক্সিজেনের অভাবে মানুষ মারা যাচ্ছে, করোনা রোগীরা অক্সিজেন পাচ্ছে না, এমন নানা গল্প সাজিয়ে গুছিয়ে সম্প্রচারিত করেছিল সেকুলার ও লিবারেল গ্যাং। তবে এখন দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার নিজের দাবির বিপরীতে গিয়ে বলেছেন যে তাদের অক্সিজেনের অভাব নেই বরং অক্সিজেন সারপ্লাস হয়ে গেছে। কেজরিওয়াল সরকার এখন দাবি করেছে যে তাদের কাছে প্রয়োজনের থেকে বেশি অক্সিজেন রয়েছে যা অন্য রাজ্যদের দেওয়া যেতে পারে।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে যে হটাৎ অক্সিজেনের অভাব হওয়া দিল্লীতে কিভাবে এত অক্সিজেন চলে এল। যে সরকার মাত্র কয়েক দিন আগে অক্সিজেন নেই বলে জনগনের কাছে দাবি করেছিল, এখন সেই সরকার কিভাবে নিজেদের কাছে অতিরিক্ত অক্সিজেন থাকার কথা বলেছে। বৃহস্পতিবার দিন অর্থাৎ ১৩ মে কেজরিওয়াল সরকার ঘোষণা করেছে যে তাদের কাছে অতিরিক্ত অক্সিজেন রয়েছে।

দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীষ সিসোধিয়া বলেছেন কোভিড পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণের পর আমরা এই সিদ্ধান্তে এসেছি যে দিল্লির অক্সিজেনের প্রয়োজন বর্তমানে ৫৮২ মেট্রিক টন। তাই আমাদের কাছে থাকা সারপ্লাস অক্সিজেন অন্য রাজ্যগুলিকে দিতে রাজি। কেজরিওয়াল সরকার কেন্দ্রকে চিঠি লিখে তাদের কাছে অতিরিক্ত অক্সিজেন থাকার কথা বলেছে।

আসলে এই চমৎকার সম্পন্ন হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের এক সিদ্ধান্তের পর। সুপ্রিম কোর্ট বিতরণ, পরিমান ইত্যাদি অডিট করার জন্য এক প্যানেলের স্থাপিত করার কথা বলেছে। উল্লেখ্য, কেজরিওয়াল সরকার ১৮ এপ্রিল দৈনিক ৭০০ মেট্রিক টন অক্সিজেনের দাবি করেছিল। সেই সময় দিল্লীতে করোনার ৭৪,৯৪১ টি সক্রিয় কেস আছে। এর আগে কেজরিওয়াল সরকার দিল্লীতে দৈনিক ৯৭৬ মেট্রিক টন অক্সিজেনের দাবি করেছিল। আর এখন যখন দিল্লীতে অক্সিজেনের প্রয়োজন নেই বলে দাবি করা হচ্ছে তখন করোনার সক্রিয় মামলা ৮২,৭২৫ টি। স্পষ্টতই অডিট কমিটির তদন্তের ভয়ে কেজরিওয়াল সরকার নিন্মমানের রাজনীতি থেকে নিজেদের সারিয়ে নিয়েছে।

https://platform.twitter.com/widgets.js

কেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করা সলিটারি জেনারেল তুষার মেহেতা আদালতে জোর দিয়ে বলেছিলেন যে কেজরিওয়াল সরকার প্রয়োজনের থেকে বেশি অক্সিজেনের দাবি করছে। কেজরিওয়াল সরকার যে ৭০০ মেট্রিক টন অক্সিজেনের দাবি তুলেছে তার মোটেও প্রয়োজন নেই। আদালতের কাছে তিনি অক্সিজেন বিতরণের তদন্তের জন্য অডিট কমিটি গঠন করার দাবি তোলেন। এই দাবির পর অদ্ভুতভাবে অক্সিজেনের প্রয়োজন ৯৭৬ মেট্রিক টন থেকে কমে ৫৮২ মেট্রিক টন হয়েছে।