Press "Enter" to skip to content

তাইওয়ানের পাশে দাঁড়িয়ে চীনকে হুমকি আমেরিকার, মহাসংকটে জিনপিং

[ad_1]

নয়া দিল্লিঃ ১ অক্টোবর চীন নিজেদের রাষ্ট্রীয় দিবস পালন করে। আর সেই দিনই চীনের সেনা নিজেদের শক্তি দেখাতে তাইওয়ানের বায়ুসীমা অতিক্রম করে ৩৮টি যুদ্ধ বিমান নিয়ে ঢুকে পড়ে। তবে, শুধু একদিনই না, পরপর দু’দিন এই কাজ করে চীন। বেজিংয়ের এই কাণ্ডে চরম ক্ষুব্ধ হয়েছে তাইওয়ান। আর সেই কারণে তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতি চীনকে এই বিষয়ে হুঁশিয়ারও করে দিয়েছেন। তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতি বলেছেন, চীন যদি আমাদের দেশে কবজা করতে চায়, তাহলে গোটা এশিয়ায় বিনাশকারী পরিণাম হবে। আর এবার আমেরিকাও চীনকে হুঁশিয়ার করে দিল।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব জেন সাকী নিজের প্রেস ব্রিফিংইয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আমরা তাইওয়ানের উপর চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির উস্কানিমূলক গতিবিধির কারণে চিন্তিত। চীনের এই কাজ আঞ্চলিক শান্তি আর স্থিরতাকে কমজোর করবে। আমেরিকা চীনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তাইওয়ানের বিরুদ্ধে সৈন্য, রাজনৈতিক আর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করার থেকে বিরত থাকতে বলেছে।

জেন সাকী বলেন, তাইওয়ান জলচুক্তিতে শান্তি আর স্থিরতা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাকী বলেন, বাইডেন প্রশাসন সেলফ-ডিফেন্সের ক্ষমতা বজায় রাখতে তাইওয়ানের সহযোগিতা করা জারি রাখবে। সাকী বলেন, আমরা তাইওয়ান সম্পর্কে আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করব যেমনটি তাইওয়ান সম্পর্ক আইন, তিনটি বিজ্ঞপ্তি এবং ছয়টি আশ্বাসে বর্ণিত হয়েছে।

বাইডেন প্রশাসন জানিয়েছে, তাঁরা তাইওয়ান নিয়ে নিজদের চিন্তা আর চীনের বলপূর্বক রণনীতি নিয়ে অনেকবার নিজেদের অবস্থা স্পষ্ট করেছে আর আমেরিকার লাগাতার এই মামলায় খুব কাছ থেকে নজর রাখছে। এই বিষয়ে আমেরিকার বিদেশ মন্ত্রালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, চীনের এহেন পদক্ষেপ ওই অঞ্চলে স্থিরতাকে কমজোর করছে আর শান্তি ভঙ্গ করছে। তাইওয়ান নিয়ে আমাদের প্রতিবদ্ধতা পাহারের মতো মজবুত।

[ad_2]